মেইন ম্যেনু

ফেসবুকের আদলে নিজস্ব সোস্যাল মিডিয়া তৈরি করছে আইএস

নিজেদের মতাদর্শ প্রচারের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের কাছে প্রধান হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। অনলাইনে সদস্যও সংগ্রহ করছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এই জঙ্গিগোষ্ঠী।

এবার নিজেদের সুবিধার্থে ফেসবুকের আদলে নিজস্ব স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট তৈরি করছে আইএস। এ সাইটের মাধ্যমে ভাবাদর্শ ও মতামত সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতেই আইএস এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পুলিশ অ্যাজেন্সি জানিয়েছে।

টুইটার এবং টেলিগ্রাফ আইএস অ্যাকাউন্ট নিয়মিতভাবে বন্ধ করে দেয়ায় জঙ্গিরা তাদের যোগাযোগের অগ্রগতির জন্য নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম চালু করছে।

ইইউ পুলিশ অ্যাজেন্সির পরিচালক রব ওয়েইনরাইট লন্ডনে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে বলেন, ইসলামি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দু’দিনের অভিযানে নতুন একটি নেটওয়ার্ক খোঁজ পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, গ্রিস, পোল্যান্ড ও পর্তুগালের বিভিন্ন সাইট খুঁজে ৫২টি অনলাইন নেটওয়ার্কে দুই হাজারেরও বেশি চরমপন্থী আইটেম খুঁজে পেয়েছেন তারা।

জিহাদি কার্যকলাপ ও মতাদর্শকে ছড়িয়ে দিতে জঙ্গিরা অনলাইনে স্যোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে। এর পাশাপাশি তারা বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করেও গত কয়েক বছরে জিহাদি ভাবনাকে ছড়িয়ে দেয়ার কাজ করেছে বলেও জানান তিনি।

রব ওয়েইনরাইট বলেন, অভিযানে দেখা গেছে জঙ্গিরা তাদের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তৈরির চেষ্টা করছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি। ফেসবুক, টুইটারে তাদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার ফলে জঙ্গিরা এটি করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আমরা ইতিমধ্যে সেখানে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন করে দিয়েছে। ইন্টারনেটে তাদের ভিডিওগুলোও এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি। জঙ্গিদের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালুর সংবাদ এমন এক সময়ে এল; যখন টুইটার আইএস সম্পৃক্ত নথি মুছে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া গত গ্রীস্মে হোয়াইট হাউস থেকে দাবি করা হয়েছিল দুই বছরে আইএসের ৪৫ শতাংশ টুইট আটকে দেয়া হয়েছে।

এই সংবাদের কয়েকমাস পর এক লাখ ২৫ হাজার একাউন্ট বন্ধ করে দেয় টুইটার কর্তৃপক্ষ। ২০১৫ সালেও টেলিগ্রাম আইএসের চ্যাট চ্যানেল মুছে দিয়েছিল। ফেসবুক, অ্যাপল, ড্রপবক্স, মাইক্রোসফ্ট এবং অন্যান্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো আইএসের বিরুদ্ধে অনলাইনে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এসবের ফলে আইএস জঙ্গিরা নিজেদের যোগাযোগের স্বতন্ত্র মাধ্যম তৈরি করে নিয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স।






মন্তব্য চালু নেই