মেইন ম্যেনু

প্রত্যাবর্তনের মঞ্চেই যুবরাজ চরম অসম্মান করলেন তাঁর এই শুভানুধ্যয়ীকে, চমকে গিয়েছে গোটা দেশ

পুত্র বারবার জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছেন। আর পিতা ক্রমাগত ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দলের অধিনায়কের প্রতি। ‘ভিখারি’, ‘শয়তান’— এমন কোনও বিশেষণই নেই, যা জাতীয় দলের ক্যাপ্টেনের প্রতি ব্যবহার করেননি পুত্র। ভারতীয় ক্রিকেটমহলে এই গল্পের তিন চরিত্রই চেনা। প্রথমজন যুবরাজ সিংহ, দ্বিতীয় জন তাঁর পিতা যোগরাজ সিংহ এবং উল্লিখিত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে দল নির্বাচনে যুবরাজ সুযোগ পাওয়ার পরেও সদ্য বিদায়ী অধিনায়ক ধোনিকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করতে ছাড়েননি যোগরাজ। পিতা যোগরাজ বারবার ভারতীয় ক্রিকেটের দুই তারকা ক্রিকেটারের সম্পর্কের ফাটল চওড়া করতে চাইলেও, মাহি-যুবি’র বন্ধুত্ব যে যথেষ্টই মজবুত তা দেখিয়ে দিয়েছে কটকের বরাবটি স্টেডিয়াম।

কর্কট রোগ জয়ী তারকা ক্রিকেটার ২৪ ঘণ্টা আগেই কেরিয়ারের অন্যতম সেরা শতক হাঁকিয়েছেন। ধোনি-যুবির জোড়া শতরানের পার্টনারশিপে আড়াইশোর বেশি রান উঠেছে স্কোরবোর্ডে। সিরিজও জিতে নিয়েছে ভারত। তবে যুবরাজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফল প্রত্যাবর্তন করার পরে পরোক্ষে অসম্মানই করলেন তাঁর পিতাকে। নিজের সাফল্যের রসায়ণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যুবরাজ নিজের স্ত্রী হ্যাজেল কিচ, তাঁর মা ও গুরুজির প্রভাবের কথা। তবে একবারও নিজের পিতার নাম মুখে আনলেন না। ‘লেডি লাক তো রয়েইছে। মা ও গুরুজির আশির্বাদ আমার সঙ্গে রয়েছে। ওঁদের প্রভাবের জন্যই এখনই আমি খেলে চলেছি।’, বলছেন যুবরাজ।
নিন্দুকরা বলতেই পারেন, ‘আমে-দুধে মিশে যায়, আঁটি গড়াগড়ি খায়।’-এবেলা






মন্তব্য চালু নেই