মেইন ম্যেনু

প্রতিরোধ ছাড়াই গাম্বিয়ায় ঢুকে পড়েছে সেনেগালের সেনা

গাম্বিয়ায় ঢুকে পড়েছে সেনেগালের সেনাবাহিনী। নির্বাচনে পরাজিত দেশটির প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া জামেহকে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সমূহের সামরিক জোট। একে সমর্থন দিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

এর আগে দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট এ্যাডামা ব্যারোর সমর্থনে কোন রকম প্রতিরোধ ছাড়াই রাজধানী বানজুলের দিকে অগ্রসর হয় সেনেগালের সেনাবাহিনী এবং জাতিসংঘ সমর্থিত আফ্রিকার আঞ্চলিক সামরিক জোটের সৈন্যরা।

গাম্বিয়ার সৈন্যদের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে তাদের ব্যারাকে ফেরত যাবার নির্দেশ দেয় তারা। এর আগে বৃহস্পতিবার নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট অ্যাডামা ব্যারো শপথ নিয়েছেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে সেনেগালের রাজধানী ডাকারের গাম্বিয়া দূতাবাসে।

এদিকে, দুই যুগ ধরে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনরত ইয়াহিয়া জামেহ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে হেরে যান। কিন্তু তিনি নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানান। প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতিকে দেশটির পার্লামেন্ট অনুমোদন করেছে।

ইয়াহিয়া জামেহকে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর দেওয়া প্রাথমিক ডেডলাইন অতিক্রান্ত হওয়ার পর সেনেগাল ও পশ্চিম আফ্রিকান দেশগুলোর সেনাবাহিনী গাম্বিয়ায় প্রবেশ করে। তারা ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ও সম্পূর্ণ যুদ্ধের পোশাকে ছিল। গানার বাহিনীও ছিল এই জোটবাহিনীতে। সেনেগালের সেনাবাহিনী আফ্রিকার সবচেয়ে সেরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সুশৃঙ্খল বাহিনী।

সেনেগালে অবস্থানরত গাম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট ব্যারো বলেছেন সামরিক অভিযান শেষ না হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি নিজ রাজধানী বানজুলে ফিরবেন না। পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর সামরিক পদক্ষেপে সমর্থন রয়েছে জাতিসংঘের ১৫ সদস্যবিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিষদের। তবে পরিষদ জোর দিয়ে বলেছে, রাজনৈতিক সমাধান হওয়া উচিৎ অগ্রাধিকার।

সেনেগাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল আবদু এনদিয়ায়ে বলেছেন, গাম্বিয়ায় অবস্থানরত তার বাহিনী প্রয়োজন পড়লে লড়াই করবে। তার ভাষ্য, ‘এটি ইতিমধ্যে যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। যদি আমরা কোন প্রতিরোধের মুখে পড়ি, তাহলে আমরা লড়বো। যদি কেউ সাবেক প্রেসিডেন্টের পক্ষে লড়েন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়বো।’

তবে তিনি বলেন, ইকোওয়াসের প্রধান লক্ষ্য গাম্বিয়ায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা ও নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা গ্রহণে সহায়তা করা।






মন্তব্য চালু নেই