মেইন ম্যেনু

পালিয়ে বিয়েতে সাহায্য করায় যুবতীকে প্রকাশ্যে নগ্ন করে গোপনাঙ্গে মরিচের গুঁড়ো

অভাবনীয় রকমের নৃশংস এক ঘটনা ঘটে গেল বেঙ্গালুরুতে। যেখানে এক যুবতীকে প্রকাশ্যে নগ্ন করে তাঁর গোপনাঙ্গে লঙ্কার গুঁড়ো মাখিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল সাত জনের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, নিজের পরিচিত এক যুবককে তাঁর ভালবাসার পাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যেতে এবং সেই মেয়েটিকে বিয়ে করতে সাহায্য করেছিলেন ওই ২০ বছর বয়সি যুবতী। মেয়েটি নাবালিকা ছিল— এই দাবি করে মেয়ের বাড়ির আত্মীয়রাই ওই নিগ্রহ চালায় যুবতীর উপর।

গত ১৫ জানুয়ারি পিইউ কলেজের এক ছাত্রী বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেন মেয়েটির বাড়ির লোকজন। পুলিশ মেয়েটিকে কয়েক দিনের মধ্যেই উদ্ধার করে। জানা যায়, পরিচিত শৌকত নামের যুবকের সঙ্গে সে পালিয়েছিল এবং তাকে বিয়েও করেছে সে। বাড়ি থেকে পালানোর পরে শৌকত এবং মেয়েটি যায় শৌকতের এক বান্ধবীর বাড়িতে। সেখানে কয়েক দিন লুকিয়ে থাকার পরে সেই বান্ধবীই তাদের অন্যত্র চলে যেতে সাহায্য করে। পুলিশ জানতে পারে মেয়েটি নাবালিকা। ফলে শৌকতের বিরুদ্ধে পসকো (প্রোটেকশন অফ চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস অ্যাক্ট)-এ মামলা এনে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নাবালিকাকে তুলে দেওয়া হয় তার পরিবারবর্গের হাতে।

জানা গিয়েছে, এর পর ২০ জানুয়ারি সকালে ওই নাবালিকার বাড়ির লোকজন পৌঁছয় শৌকতের সেই বান্ধবীর বাড়ি যিনি তাদের সাময়িক আশ্রয় দিয়েছিলেন। যুবতীকে মারধরের পাশাপাশি তাঁকে নগ্ন করে তাঁর জননাঙ্গে লঙ্কার গুঁড়ো মাখিয়ে দেয় মেয়েটির বাড়ির লোকজন।

নিগৃহীতা মোট সাত জনের বিরুদ্ধে লক্ষ্মী দেবী নগর থানায় অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রুবিন, তাজ, ইয়াসমিন, ইন্দিরা, জবির, এবং ইমরানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আর এক অভিযুক্ত মহিলা পলাতক।

নিগৃহীতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন ডাক্তারেরা।






মন্তব্য চালু নেই