মেইন ম্যেনু

পাত্তা পেলো না খালেদার ১৩ দফা

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার তোলা ১৩ দফা প্রস্তাব কার্যত নাকচ হয়ে গেলো। আড়াই মাস আগে বিএনপি নেত্রী এই প্রস্তাব তোলার পর পরই তা অগ্রাহ্য করার কথা জানিয়েছিলেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। এই প্রস্তাবের সমালোচনা করলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি যে সিদ্ধান্ত নেবেন তাই মেনে নেবেন তিনি।

১৮ নভেম্বর খালেদা জিয়া ১৩ দফা প্রস্তাব দেয়ার ঠিক এক মাস পর নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। বিএনপির নেতারা বলছেন, তাদের তোলা প্রস্তাব অনুযায়ী আলোচনার সূচনা করেন রাষ্ট্রপতি। এ জন্য আবদুল হামিদকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা।

তবে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির এই আলোচনা এবারই প্রথম নয়। ২০১২ সালে কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন গঠনের আগেও সে সময়ের রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। বিএনপিও তখন সে আলোচনায় অংশ নিয়েছিল।

এবার খালেদা জিয়া ১৩ দফা প্রস্তাব তোলার ঠিক এক মাস পর ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই শুরু হয় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সংলাপ। এই সংলাপেও বিএনপি রাষ্ট্রপতির কাছে ১৩ দফা তুলে দেয়। এরপর এক মাসে তিনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ দল মিলিয়ে কথা বলেছেন মোট ৩১টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে।

এই সংলাপ শেষ হয় ১৮ জানুয়ারি। এর এক সপ্তাহের মাথায় গঠন করা হলো ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি। ২০১২ সালে বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দেয়ার আগেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। সে বছরও বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে সার্চ কমিটির প্রধান করা হয়েছিল।

তবে এবারের তুলনায় পাঁচ বছর আগের সার্চ কমিটির পার্থক্য হলো, তখন কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা হয়নি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, সার্চ কমিটি ১০ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে নাম প্রস্তাব করবে এবং সেই আলোকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ চূড়ান্ত করবেন।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ফেব্র






মন্তব্য চালু নেই