মেইন ম্যেনু

পদ্মা লঞ্চ খুঁজতে আসছে ‘জরিপ-১০’

এক দিন পার হয়ে গেলেও ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ নৌযানটির অবস্থান এখনো সনাক্ত করা যায়নি। তাই লঞ্চটি উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে জরিপ-১০ নামের একটি ‘সার্ভে ভেসেল’ ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে রুস্তমের সঙ্গে অভিযানে যোগ দিয়েছে উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভীক।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের শিবচরের কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে মাওয়া উদ্দেশে ছেড়ে গেলে ১১টার দিকে মাঝ পদ্মায় প্রচণ্ড ঢেউয়ের ধাক্কায় ডুবে যায়। লঞ্চটিতে প্রায় তিন শতাধিক যাত্রী ছিল। দুর্ঘটনার পর স্পিডবোটের মাধ্যমে শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। নদী থেকে উদ্ধার করা হয় এক শিশু ও এক তরুণীর লাশ।

মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল জানান, সকাল থেকে নতুন কোনো লাশ নদীতে পাওয়া যায়নি। স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে ১১৮ জন নিখোঁজ যাত্রীর একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্বে থাকা বিআইডব্লিটিএর নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের পরিচালক মো. জসিম বলেন, ‘স্পিডবোট, ওয়ার্ক বোট, টাগবোটসহ বিভিন্ন ধরনের জলযান নিয়ে চাঁদপুর থেকে মাওয়া পর্যন্ত অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। আমরা সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে উত্তাল নদীতে এখন পর্যন্ত পিনাক-৬ এর অবস্থান সনাক্ত করতে না পারায় উদ্ধার অভিযানে কার্যত কোনো অগ্রগতি নেই । তাই লঞ্চটি উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে জরিপ-১০ নামের একটি ‘সার্ভে ভেসেল’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে শুনেছি।

উদ্ধারকর্মীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে নদীতে প্রচুর পলি আর বালি থাকে বলে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লঞ্চটি খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনাও ধীরে ধীরে কমে আসছে। যতো বেশি সময় পার হবে, স্রোতের টানে নদীর তলদেশে বহুদূর সরে যাবে ডুবে যাওয়া লঞ্চ। সেক্ষেত্রে লঞ্চটির অবস্থান সনাক্ত ও লাশ উদ্ধার করা কঠিন হবে। উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম, নির্ভীকসহ ১৫টি নৌযান সেখানে রয়েছে। কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিচ্ছেন।






মন্তব্য চালু নেই