মেইন ম্যেনু

পড়াশোনায় ক্লাস টেন, মারুতির ইঞ্জিন দিয়ে বানালেন আস্ত হেলিকপ্টার!

পড়াশোনা বলতে মেরেকেটে ক্লাস টেন। তার পর আর স্কুলের চৌকাঠ পেরোননি। ৫৪ বছর বয়সে সেই তিনিই মারুতি গাড়ির ইঞ্জিন দিয়ে আস্ত একটা হেলিকপ্টার বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন।

ডি সদাশিবন। কেরলের ইদুক্কির বাসিন্দা। নিজের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ রয়েছে তাঁর। কেরলের কাঞ্জিরাপল্লির একটি স্কুলে তাঁর মেয়ে পড়ে। কয়েক বছর আগে কথায় কথায় একদিন সেই স্কুলের প্রিন্সিপালের কাছেই হেলিকপ্টার বানানোর ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন সদাশিবন।

প্রিন্সিপাল তাঁকে স্কুলের জন্য হেলিকপ্টারের একটি মডেল বানাতে বলেন। তার পরই বাড়ি ফিরে কাজ শুরু করে দেন তিনি। কিন্তু মডেল বানাতে গিয়ে সদাশিবনের মাথায় আরও একটি আইডিয়া আসে। মডেলের বদলে রিয়েল হেলিকপ্টার বানিয়ে ফেলেন তিনি।

কিন্তু শুরুটা অতটা সহজ ছিল না। কারণ, হেলিকপ্টার বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাঁর কাছে ছিল না। নিজের ওয়ার্কশপ থেকে একটি মারুতি ৮০০ গাড়ির সরঞ্জাম নিয়ে নেন। কাজে লাগান একটি রিডাকশন গিয়ার বক্স। হেলিকপ্টারের সামনে লাগিয়ে নেন অটোরিকশার উইন্ডস্ক্রিন। ভিতরটা লোহা আর বাইরেটা অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে মুড়ে ফেলেন। এই ভাবে দীর্ঘ চার বছরের চেষ্টায় বানিয়ে ফেলেন একটি দুই আসনের আস্ত হেলিকপ্টার।

তবে এখনও তাঁর হেলিকপ্টার ওড়ার সম্মতি পায়নি। এখন শুধুমাত্র তাঁর নিজস্ব সম্পত্তির মধ্যেই তা উড়তে পারবে। চলতি বছরের এপ্রিলে যাতে ওই স্কুলেও ওড়ানো যেতে পারে হেলিকপ্টারটি তার জন্য সম্মতি চেয়ে বিভিন্ন এজেন্সির কাছে আবেদন করেছেন তিনি।-আনন্দবাজার






মন্তব্য চালু নেই