মেইন ম্যেনু

পটুয়াখালীতে লঞ্চডুবি: ৭ মৃতদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৩৫

পটুয়াখালীতে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবির ঘটনায় এক শিশু, চার নারী ও দুই পুরুষসহ সাত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সাঁতরে তীরে উঠেছে অন্তত ১৫ জন। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৩৫ থেকে ৪০ জনের মতো যাত্রী।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পটুয়াখালীর কলাগাছিয়া এলাকায় ইসাদী নদীতে এমভি শাথিল নামে লঞ্চটি ডুবে যায়। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য খলিলুর রহমান শিশু, চার নারী ও ‍দুই পুরুষসহ সাতটি মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘লঞ্চডুবির পর অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠে আসে। বাকিরা নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকারীরা নদী থেকে সাত জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। নৌকা ও ট্রলার নিয়ে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে স্থানীয় লোকজন। তবে প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি।
লঞ্চমালিক শাহজাহান খানের ছেলে শিপলু খান জানিয়েছেন, দুপুর ১২টার দিকে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে গলাচিপা থেকে পটুয়াখালী আসছিল এমভি শাথিল। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে লঞ্চটি কলাগাছিয়া এলাকায় পৌঁছালে ঝড়ের কবলে পড়ে। এসময় প্রবল বাতাসে লঞ্চটি নদীতে ডুবে যায়।
স্থানীয়রা জানায়, লঞ্চটিতে অন্তত একশ’ যাত্রী ছিল। তাদের কেউ কেউ সাঁতরে তীরে উঠে জীবন রক্ষা করেছে। এর মধ্যে সাত জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। বাকীদের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা জানা যায়নি।
কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদেরচেয়ারম্যান মো. দুলাল মিয়া জানান, এমভি শাতিল ডুবে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন ট্রলার ও নৌকা নিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। তবে বিকেলে পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত কাউকে উদ্ধার করা যায়নি।






মন্তব্য চালু নেই