মেইন ম্যেনু

নিহতের সংখ্যা ১০০০ ছাড়িয়েছে, অপরিক্ষীত ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি ডব্লিউএইচও’র

ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে। চিকিৎসকদের একটি বিশেষজ্ঞ দল বলেছে, এই মুহূর্তে ওষুধের আর উপকারিতা বা কার্যকারিতা পরীক্ষার সময় নেই। প্রয়োগ করাটাই হবে মূল বিষয়।

মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশাল সংখ্যক মানুষ এখন আক্রান্ত। এবং প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে। কাজেই পর্যবেক্ষণে থাকা উদ্ভাবিত ওষুধগুলোই এখন ব্যবহার করতে হবে, এই মহামারী ঠেকাতে।

সংস্থাটি বলেছে, এখন পর্যন্ত ইবোলা ভাইরাসে ১ হাজার ৮শ’ ৪৮ জন আক্রান্ত হয়েছে এবং মারা গেছে ১ হাজার ১৩ জন। ইতিহাসে ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণে এটাই সবচেয়ে বড় মহামারী।

সকল চেষ্টার ব্যর্থতা ইতোমধ্যে লাইবেরিয়ান সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি কোম্পানির তৈরিকৃত অপরীক্ষিত ওষুধ ব্যবহারে বাধ্য করেছে।

খাদ্য এবং ওষুধ প্রশাসন লাইবেরিয়াকে জেডম্যাপ নামের ওই ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে এবং এটির কিছু নমুনা এই সপ্তাহেই লাইবেরিয়ায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

ওষুধটির প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ম্যাপ বায়োফার্মাসিউটিক্যাল বলেছে, পশ্চিম আফ্রিকান একটি দেশের চাহিদা পূরণের পর তাদের স্টক প্রায় শেষের পথে।

ইবোলায় আক্রান্ত দুই আমেরিকানের ওপর ওষুধ প্রয়োগের পর তাদের কিছুটা উন্নতি হওয়ায় জেডম্যাপ এর আগে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদ শিরোনাম হয়।

কিন্তু স্পেনে এক প্রিস্ট একই ওষুধ নেওয়া সত্ত্বেও মঙ্গলবার মারা যান।

স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত শনিবার থেকে মাদ্রিদ হাসপাতালে প্রিস্ট মিগুয়েল পাজারেস এর ওপর জেডম্যাপ এর ওষুধ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, মঙ্গলবার প্রিস্ট মারা গেছেন।






মন্তব্য চালু নেই