মেইন ম্যেনু

নিজ এলাকায় রাষ্ট্রপতির রিকশাভ্রমণ

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ একেবারেই সাধারণ মানুষ। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে নিরাপত্তার ঘেরাটোপ ভালো লাগে না তার। প্রায়ই বলেনও সে কথা। নিজ এলাকা কিশোরগঞ্জের মিঠামইন গেলে রাষ্ট্রপতি স্বাচ্ছন্দবোধ করেন হাঁটতে, বাহনে চললে রিকশাই তার পছন্দ।

রবিবার সকালে মিঠামইন পৌঁছার পর তার চিরচেনা এলাকা ঘোরার ইচ্ছে হলো । চাপলেন প্যাডালচালিত এক রিকশায়। ঘুরে দেখলেন স্থানীয় বাজার ও বিভিন্ন স্থাপনা।

কিন্তু কি আশ্চর্য! এলাকাবাসীকে তেমন অবাক হতে দেখা গেলো না। কারণ জানতে চাইলে স্থানীয় একজন বলেন, রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পদে থাকলেও এলাকার মানুষের কাছে তিনি আগের সেই হামিদ ভাই। তার কাছে যাওয়া যায়, তিনি সবার কাছে আসেন, কথা বলেন, খুনসুটি করেন, ভালো মন্দের খোঁজখবর নেন। এবারের সফরেও তার ব্যতিক্রম হলো না।

দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি মিঠামইন হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। এরপর মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত তমিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলা ভবন উদ্বোধন করেন তিনি।

বিকাল সাড়ে চারটায় মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক ডিগ্রি কলেজ মাঠে সুধী সমাবেশে যোগ দেয়ার কথা আছে রাষ্ট্রপতির। মিঠামইনের কামালপুর গ্রামে নিজ বাড়িতেই রাতে থাকবেন তিনি।

সোমবার রাষ্ট্রপতির ইটনা উপজেলায় যাওয়া কথা আছে। সেখানে বিকাল তিনটায় ‘রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ কলেজ’ এর ২০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা আছে তার। এরপর সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি জেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

মঙ্গলবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি যাবেন অষ্টগ্রাম। দুপুরে ‘অষ্টগ্রাম রোটারি ডিগ্রি কলেজ’ এর ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা আছে তার। এরপর বিকাল সাড়ে তিনটায় অষ্টগ্রাম খেলার মাঠে সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি। রাতে তিনি অষ্টগ্রাম ডাকবাংলোয় থাকবেন।

বুধবার সকালে অষ্টগ্রামে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরির্দশন করে বেলা সাড়ে ১১টায় বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।

এবারেই প্রথম না, এর আগেও নিজ এলাকায় অটোরিকশায় চেপে যাতায়াত করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। সেই ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। ভাটি এলাকায় এমনিতে প্রাইভেট কার বা চার চাকার যাত্রীবাহী যানবাহন থাকে না। কিন্তু রাষ্ট্রপতি বলে কথা। তিনি চাইলে গাড়ি নিয়ে যেতেই পারেন। কিন্তু আবদুল হামিদ তা কখনও করেন না।






মন্তব্য চালু নেই