মেইন ম্যেনু

‘নাসিরপুর আস্তানার নারীরা সবসময় নেকাব পরে থাকত’

মৌলভীবাজারে নাসিরপুর জঙ্গি আস্তানার মালিক সাইফুর রহমানের প্রতিবেশী নূরুল চৌধুরী ওই আস্তানায় থাকা জঙ্গিদের জীবনযাপন বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। সোয়াট টিমের অভিযান চলাকালে তিনি সঙ্গে ছিলেন। নূরুল চৌধুরী বলেন, ‘ওই আস্তানার নারী সদস্যরা সবসময় নেকাব লাগিয়ে থাকতেন। পুকুরঘাটে গেলেও নেকাব পরে থাকত। একদিন পুষ্কনীর পাড়ে দেখছি। নেকাব লাগিয়ে আছে। কেবল চোখ দুটো দেখা যায়।’

তিনি বলেন, ‘পুরুষরা বাজার-সদাই নিয়ে আসত। গেট থেকে সদাই উপরে তুলত। কখনো রিকশা বাড়ির ভেতরে নিত না।’

‘পুরুষদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলত কোম্পানিতে চাকরি করে। মৌলভীবাজারে ব্রাঞ্চ আছে। এখান থেকে সাপ্লাই দেয়। এখন তো বুঝতে পারছি তারা কী জিনিস ছিল। তাদের ব্যবহারে কখনো বুঝতে পারিনি তারা এরকম ছিল।’

সোয়াট টিমের অভিযান চলাকালে তিনি ওই বাড়ির ভেতরও ঢোকেন। এ প্রসঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শী নূরুল চৌধুরী বলেন, মনিরুল স্যার আসছিল। তাদের আপ্যায়ন করেছি। তাদের সহযোগিতা করেছি। প্রথম গ্রেনেড বিস্ফোরণের পর ওই বাড়িতে ঢুকি। বাড়ির দরজা, জানালা, কাচ সব ভেঙে গেছে।

‘ওই বাড়িতে অবিস্ফোরিত অবস্থায় একটা গ্রেনেডও পাওয়া গেছে। সেটা সেখানেই নিষ্ক্রিয় করা হয়। বাইরের কোনো লোক ঢোকা সম্ভব হয়। স্যারদের সহায়তা করছি বলেই তো বাড়ির ভেতরের অবস্থা দেখতে পাচ্ছি। না হলে দেখতে পেতাম না।’

তিনি বলেন, ‘সাতটা লাশ পাওয়া গেছে। দুটো পুরুষ লোক, দুটো মেয়ে আর তিনটা বাচ্চা।’

নূরুল চৌধুরী বলেন, ‘ওই বাড়িতে মুরব্বি এক লোক ছিল। জামে মসজিদে নামাজ পড়ার সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। বয়স ৫০ বছর হবে।’






মন্তব্য চালু নেই