মেইন ম্যেনু

নাসিরপুরে ভুয়া পরিচয়পত্র দেখিয়ে বাসা ভাড়া নেয় চার জঙ্গি

মৌলভীবাজারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঘেরাও করে রাখা দুটি বাড়ির মধ্যে খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর গ্রামের বাড়িটি ভুয়া পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভাড়া নেয়া হয়। ওই বাড়িতে অবস্থানকারী চারজন ভুয়া পরিচয়পত্র দেখিয়ে বাসা ভাড়া নেন।

বুধবার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর গ্রামের ওই বাড়িসহ দুটি বাড়ি ঘিরে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট অভিযান চালায়।

খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর গ্রামের ওই বাড়ির তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে রয়েছেন জুয়েল আহমেদ। তিনি বুধবার দুপুরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ওই বাড়িতে নারী-শিশুসহ পাঁচজন থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জুয়েলের ভাষ্য, ওই বাড়ির মালিকের নাম সাইফুর রহমান। তিনি লন্ডনপ্রবাসী। দুই মাস আগে এক ব্যক্তি বাসা ভাড়ার জন্য আসেন।

তখন ওই ব্যক্তি নিজেকে কামরুল তালুকদার ইলিয়াস মাহফুজ হিসেবে পরিচয় দেন। আমার সঙ্গে কথা বলে মাসিক ৭ হাজার টাকা বাসা ভাড়া নির্ধারণ করেন তিনি। সন্তান, স্বামী-স্ত্রী ও শ্বশুর-শাশুড়ি থাকবেন বলে বাসা ভাড়া নেন তারা।

জুয়েলের দাবি, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বাসাটি ভাড়া নেন তারা। ভাড়া নেয়ার সময় তাদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র নেয়া হয়। কিন্তু এখন দেখা যায় তাদের সেই পরিচয়পত্র ভুয়া।

তিনি আরও জানান, দুই মাস আগে ওই ভাড়াটিয়া তার স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও সন্তানসহ বাসায় ওঠেন। বর্তমানে ওই বাসায় তারা পাঁচজন অবস্থান করছেন।

পুলিশ জানায়, তারা বাসা ভাড়া নেয়ার সময় যে পরিচয়পত্র ব্যবহার করেছে তা ভুয়া। মূলত ওই চার জঙ্গি ভুয়া পরিচয়পত্র দেখিয়ে বাসা ভাড়া নেন।

এই দুটি জঙ্গি আস্তানার একটি মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এলাকায়। অপরটি সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর গ্রামে।

এর আগে পুলিশ জানিয়েছে, সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর গ্রামের ওই বাড়িতে চার-পাঁচ জঙ্গি রয়েছে। তার পাশে আরেকটি বাড়িতে বেশ কিছু জঙ্গি থাকতে পারে। এর মধ্যে নারীও থাকতে পারে।

এর আগে বুধবার সকালে মৌলভীবাজারে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ওই দুটি বাড়ি ঘিরে অভিযান চালায় সিটিটিসি।

দুটি জঙ্গি আস্তানার একটি মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এলাকায়। অপরটি সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের সরকার বাজারের কাছে ফতেহপুর গ্রামে।

এর মধ্যে সরকার বাজার এলাকার জঙ্গি আস্তানা থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ও গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে দাবি করেছে পুলিশ।






মন্তব্য চালু নেই