মেইন ম্যেনু

ধোনিদের ‌‌‌‌‘ভেড়া’ বললেন বয়কট

কথায় বলে, হাতি কাদায় পড়লে চামচিকাও লাখি মারে! তেমনি অবস্থা যেন ভারতীয় অধিনায়ক মেহন্দ্র সিং ধোনির। সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব ধোনিকে একের পর এক কথার তীরে বিদ্ধ হতে হচ্ছে। স্বদেশিরা তো আছেই তালিকায় যোগ হয়েছেন বিদেশিরাও। আর এ কাজে বরাবরই একধাপ এগিয়ে ঠোঁটকাটা ইংলিশ ভদ্রলোক জিয়ফ বয়কট। এই ইংলিশ বাংলাদেশকে নিয়েও কম কথা বলেননি।

এবার ধুয়ে দিলেন ভারতীয়দের। ‘ওল্ড ট্রাফোর্ডের পিচে বল সিম এবং সুইং দুটোই করছিল সেখানে জঘন্য ব্যাটিং করেছে ভারত। কীভাবে খেলতে হবে সেটাই ভুলে গেছে ব্যাটসম্যানরা। বিশ্বের সেরা দুই ফাস্ট বোলার ব্রড-অ্যান্ডারসনকে কীভাবে সামলাতে হবে সেটাই ওরা জানে না। ভারতীয় ক্রিকেটারদের দেখে মনে হচ্ছিল ভেড়া।’ এমন কড়া মন্তব্য বয়কটের।

ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের ভরাডুবিতে যারপনারই হতাশ হয়েছেন সাবেক ভারতীয় ব্যাটসম্যান গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ। তার মনে হচ্ছে, ধোনিরা স্রেফ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। তার ভাষায়, ‘ক্রিকেটারদের লড়ার মানসিকতাই দেখলাম না। ১৯৭৪-এ লর্ডসে আমরা মাত্র ৭৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছিলাম। ১৯৮৬-তে সেই লর্ডসেই আমরা জিতেছিলাম। এবারের দলটা তো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল। ওদের খেলা দেখে মনে হলো না, দলটা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। একের পর এক টেস্ট তারা তিনদিনের মধ্যেই হারছে। এভাবে চলতে পারে না।’

এটা যে গোটা ভারতবর্ষকে হতবিহ্বল করে দিয়েছে সেকথা জানাতেও ভোলেননি বিশ্বনাথ। তিনি বলেন, ‘ধোনির দল গোটা ভারতকেই স্তম্ভিত করেছে। এ দলকে নিয়ে আমার উদ্বেগ হচ্ছে। দেশের বাইরে যদি আমরা ভালো খেলতেই না পারি, তাহলে বিদেশি কোচ রেখে কী লাভ?’

তবে অন্যদের মতো বিশ্বনাথ অধিনায়ক বদলের পক্ষে নন। বরং তিনি ধোনির পক্ষেই ব্যাট করলেন। তিনি বলেন, ‘এখনই অধিনায়ক বদলের দরকার নেই। ধোনি অধিনায়ক না হলে কে হবে? কোহলির যা অবস্থা তাতে সে নেতৃত্ব দেয়ার মতো জায়গায় নেই।’

ভারতের আরেক প্রাক্তন ক্রিকেটার এরাপল্লি প্রসন্ন কোনোভাবেই মানতে পারছেন না ভারতের এই লজ্জাজনক সিরিজ পরাজয়। তিনি বলেন, ‘এরকম ভরাডুবির সাক্ষী থাকা সত্যিই যন্ত্রণাদায়ক। এসব মেনে নেয়া কঠিন।’ কৃমাচারি শ্রীকান্ত বলছেন, ‘এই দলটার নাকি জয়ের তৃষ্ণাটাই উবে গেছে। খুবই হতাশাজনক পারফরম্যান্স। অনেকে বলছেন, খেলোয়াড়েরা অনভিজ্ঞ। সেটা আমার মনে হয় না। আসলে দলটার জেতার তৃষ্ণা নেই। মানসিক দৃঢ়তারও অভাব আছে।’






মন্তব্য চালু নেই