মেইন ম্যেনু

ধর্ষণের ভিডিও করেছিলেন ‘ভিআইপি’ ধর্ষকরা

রাজধানীর বনানীতে ডেকে নিয়ে দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (৬ মে) বিকালে তরুণীরা বনানী থানায় হাজির হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলো- সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সফিক, ড্রাইভার বিল্লাল ও সাফাত আহমেদের বডিগার্ড।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সাদমান সফিক তাদের পূর্ব পরিচিত। ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে গুলশান-২ নম্বরের ৬২ নম্বর রোডের ২ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদের সঙ্গে পরিচয় হয় তাদের। জন্মদিনের দাওয়াত দিয়ে গত ২৮ মার্চ সাফাত আহমেদ তার গাড়ি পাঠিয়ে ড্রাইভার ও বডিগার্ডের মাধ্যমে তরুণীদের বাসা থেকে বনানীর রেইনট্রি হোটেলের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়।

কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর কোনো ভদ্র লোককে তারা দেখতে পায়নি। পরিবেশ ভালো না লাগায় তারা চলে যেতে চাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে তাদের দু’জনকে একটি কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক মদ্যপান করিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এ সময় সাফায়াতের নির্দেশে তার ড্রাইভার বিল্লাল ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও করে। পরবর্তীতে সাফাত তার দেহরক্ষীকে তরুণীদের বাসায় পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে ও ভয়ভীতি দেখায়। তাদের হুমকি ও লোকলজ্জার ভয়ে এক পর্যায়ে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন তারা। এ কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

ধর্ষণ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান জোনের এডিসি আব্দুল আহাদ।

মামলা দায়েরের পর শনিবার রাতেই দুই তরুণীকে তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখান থেকে রবিবার দুপুরে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে তরুণীদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়।

মেডিক্যাল বোর্ডে থাকা চিকিৎসক ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন পেতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ঘটনাটি বেশ কিছুদিন আগের হওয়ায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া কঠিন হবে।






মন্তব্য চালু নেই