মেইন ম্যেনু

দ্রুত দল গুছিয়ে কর্মসূচিতে যেতে যায় বিএনপি

দ্রুততম সময়ে দল গুছিয়ে এবং আন্দোলনের পক্ষে ‘জনমত’ সৃষ্টি করে বিএনপি বড় ধরনের কর্মসূচি দিতে চায় বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

দুই দফায় সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিফল বিএনপি এবার ‘জনগণকে সচেতন’ করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

দলের অন্যতম সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুস্পস্তাবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

সরকার বিএনপির সব ধরনের কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, দল গোছানো থেকে শুরু করে সব ধরনের কর্মসূচিতে সরকার বাধা দিচ্ছে। সভা-সেমিনার করতে গেলেও তাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির দল গোছানোর কাজ শুরু হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব জনগণকে সচেতন করে বড় ধরনের কর্মসূচি আসবে। জনগণকে জাগিয়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানান দলের এই নেতা।

তিনি বলেন, নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পুরে রাখা হয়েছে। এখনো নতুন নতুন মামলা দেওয়া হচ্ছে। সরকার সারা দেশকে কারাগারে পরিণত করে ফেলেছে।

সরকারের ভুল নীতিই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য দায়ী অভিযোগ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সময়োচিত পদক্ষেপ না নেওয়া, পরিকল্পনার অভাব এবং ভুল নীতির কারণে দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। নিত্যপণ্যর দাম নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের মনিটরিং নেই। তারা লুটপাটে ব্যস্ত রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পূর্ববর্তী সময়ে জাসদ নেতা ও বর্তমান তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি রাজনৈতিক অঙ্গনে ওঠা আলোচনা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি কখনো হত্যার রাজনীতি করে না। বিএনপি অবশ্যই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার চায়। কিন্তু জাসদ এখন আওয়ামী লীগ সরকারের অংশীদার। আর বঙ্গবন্ধুর মেয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন। সুতরাং এর বিচার কীভাবে করবেন, এটা তাদের ব্যাপার। তবে বিএনপি সব ধরনের হত্যার বিচার চায়।

এ সময় কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক শফিউজ্জামান খোকন মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই