মেইন ম্যেনু

দেবহাটা (সাতক্ষীরা) সংবাদ (৩০/৮/১৪)

## সাতক্ষীরার দেবহাটার পারুলিয়া চারকুনী গ্রামে বাগদা চিংড়ির প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত:
দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥ ইউ.এস.এইড এর অর্থায়নে ওয়ার্ল্ডফিস সেন্টার কর্তৃক পরিচালিত একুয়াকালচার ফর ইনকাম এন্ড নিউট্রিশান (এ.আই.এন) প্রকল্পের দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের চারকুনী গ্রামে সম্প্রসারণ সহায়ক প্রদীপ চক্রবর্ত্তীর তত্ত্বাবধানে গতকাল বিকালে বাগদা চিংড়ির নিয়মিত পাক্ষিক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে উক্ত গ্রামের জন ২০ চিংড়ি চাষী উপস্থিত ছিলেন। গতকালের প্রশিক্ষনের বিষয় ছিল খাদ্য ও পুষ্টি আলোচনা ও পুষ্টিকর রেসিপি। এ প্রশিক্ষনে চাষীরা নিজের ও পারিবারিক পুষ্টি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ কওে নিজেদের স্বাস্থোন্নতি করতে সচেস্ট হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসচেতনভাবে চিংড়ি উৎপাদিত হয়ে-বিদেশে পাড়ি জমাবে। পাক্ষিক নিয়মিত ৮টি প্রশিক্ষণে চাষীরা তাদের বাগদা চাষের অনেক কিছুই জানতে পেরেছে- যেমন-ঘের মজুদ পূর্ব ব্যবস্থাপনা, নার্সারী করে মাছ ছাড়ার গুরুত্ব, খাদ্য প্রয়োগের সুফল, পিসিআর পরীক্ষিত পোনা ছাড়ার উপকারীতা, তলার পঁচাকাদার ধরন ও করনীয়, মাছ চাষের আদর্শ গভীরতা, আগাছার অপকারীতা, পি.এ্ইচ, অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাব, পুষ্টি সচেতনতা ও বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় সব্জিচাষসহ নানাবিধ বিষয়ে প্রশিক্ষন দেয়া হচ্ছে। এ ব্ছর এই গ্রুপে ১০ থেকে ১২ টি প্রশিক্ষণ দেয়া হবে যা আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। সাতক্ষীরা জেলার সর্ব দক্ষিন-পূর্বকোনের ৪টি উপজেলাতে ২০১২ সাল থেকে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এ বছরের মোট গ্রুপের সংখ্যা ৩৪৬ টি যা ৩১ জন সম্প্রসারন কর্মীর মাধ্যমে দেখভাল করা হচ্ছে। প্রতি গ্রুপে চাষীর সংখ্যা ২০-২৫ জন। এ হিসেবে মোট চাষীর সংখ্যা ৭৯৫৩ জন যারা সহযোগী ১০ টি চিংড়ি ডিপোর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হয়েছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষে অভ্যস্ত চাষীদের আধুনিক পদ্ধতিতে বাগদা উৎপাদনের পাশাপাশি,ঘের ও বসতবাড়ীর আঙিনায় সব্জি উৎপাদন করে পারিবারিক ও সামাজিক পুস্টি নিশ্চিতের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে কাংখিত অবদান রাখাই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এসময় প্রশিক্ষনে সুপারভাইজার নাজমুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

## দেবহাটায় এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত, আহত এক:
দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥ দেবহাটায় মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছে এক জন। তাকে সখিপুরস্থ দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। দূর্ঘটনায় নিহতরা হলেন দেবহাটা উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের রঞ্জন কুমারের ছেলে মহাদেব কুমার (৪০) এবং অপরজন হলেন একই গ্রামের মৃত হরে ঘোষের ছেলে কেনা ঘোষ (৫০)। তারা দুইজনই পেশায় চাউল ব্যবসায়ী ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার সকাল ৯ টা ২০ মিনিটের দিকে মহাদেব ও কেনারাম তাদের অপর সহযোগী চাউল ব্যবসায়ী চন্ডিপুর গ্রামের মৃত মোহর আলীর ছেলে জাকির আলী শেখ (৪৫) কে নিয়ে পারুলিয়া থেকে বাই সাইকেলযোগে সখিপুরের দিকে আসছিল। এসময় সাতক্ষীরার থেকে ছেড়ে আসা খুলনা মেট্রো ম-০৭-০০১৯ নম্বরের একটি ট্রাক কালীগঞ্জ দিকে যাওয়ার সময় পারুলিয়া ব্রীজের অপরপাশে সখিপুর লাইট হাউজ সিনেমা হলের সামনে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে তাদেরকে চাপা দেয়। তাদেরকে দ্রুত সখিপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানেই মহাদেব নিহত হয়। হাসপাতালে কর্তব্যরত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আকছেদুর রহমান মহাদেব চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া কেনারামের অবস্থা আশঙ্খাজকন হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানেই তিনি মারা যান। দূর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটির ড্রাইভার ছিল দেবহাটা উপজেলার ধোপাডাঙ্গা গ্রামের রমজান আলীর ছেলে আলম হোসেন (২৮)। স্থানীয়রা জানায়, আলম কোন ড্রাইভার ছিলনা। তার কোন লাইসেন্স নেই এবং সে ছিল মাদকসেবী। দূর্ঘটনার পরবর্তী সে পলাতক রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

## দেবহাটার হাদীপুর এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আহছান পুলিশের হাতে আটক:
দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥ দেবহাটা উপজেলার হাদীপুর এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আহছান আলী (৫২) কে পুলিশ গাজা সহ আটক করেছে। আহছান উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত শেখ আদর আলীর ছেলে। পুলিশ এসময় আহছানের স্ত্রী সালেহা খাতুন (৩৫) কেও আটক করে। দেবহাটা থানার সেকেন্ড অফিসার মেজবাহ উদ্দীন জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ ঐ এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আহছানকে গ্রেফতার করতে পুলিশের নজরদারী ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার বাদ জুমআ আহছান ও তার স্ত্রীকে ১৫ পুরিয়া গাজা সহ হাতেনাতে আটক করা হয়। তিনি আরো জানান, তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হবে। তবে ঐ এলাকার এলাকাবাসী আহছান গ্রেফতার হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আহছান দীর্ঘদিন যাবৎ ঐ এলাকায় দাপটের সাথে মাদকের ব্যবসা করে আসছে। তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী বারবার অভিযোগ দেয়া সত্ত্বেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তারা বর্তমান পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করে আহছানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। এলাকাবাসী আরো জানান, আহছান স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার ছত্রছায়ায় এই অবৈধ ব্যবসা করে। যার কারনে তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু করতে পারেনা।



« (পূর্বের সংবাদ)
(পরের সংবাদ) »



মন্তব্য চালু নেই