মেইন ম্যেনু

দুবাই-কাতার নেবে সৌদির অবৈধ শ্রমিকদের

সৌদি আরবে অবস্থানরত যেসব অভিবাসী শ্রমিক কাজের বৈধতা পাননি তাদের জন্য সুখবর দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার। কিছু নির্মাণ কারখানায় সৌদি থেকে এ ধরনের শ্রমিক নেওয়ার কথা জানিয়েছে তারা।

সোমবার সৌদি আরবের প্রভাবশালী পত্রিকা আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতোমধ্যেই অভিবাসী শ্রমিকদের দ্বারা উপকৃত হয়েছে। এজন্য ওই শ্রমিকদের ধন্যবাদও জানিয়েছে তারা। সেখানকার নির্মাণাধীন বড় বড় প্রকল্প ঝুলে রয়েছে শ্রমিক সঙ্কটে।

আরব নিউজ জানায়, সৌদি আরবের ৮০ লাখ অভিবাসী শ্রমিকের অনেকেই বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করেন। যারা চাইলেই তাদের মালিকানা পরিবর্তন করতে পারেন না। মালিকানা পরিবর্তনে তাদেরকে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানির পরামর্শক ফাদেল আবুল আইনাইন জানিয়েছেন, সৌদিতে কর্মরত যেসব অভিবাসী শ্রমিক কাজের নিরাপত্তা সংকটে ভুগছেন তারা এই সুবিধা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও দুবাইয়ের যে কোনো জায়গায় স্থানান্তরিত হতে পারবেন।

অভিবাসী শ্রমিকরা সাধারণত সরাসরি প্রতিবেশী দেশে যেতে পারেন না জানিয়ে তিনি বলেন, এসব শ্রমিককে সাধারণত নতুন ভিসা নিতে নিজের দেশে ফিরতে হয়। তারপর প্রতিবেশী দেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হয় তাদের।

অর্থনীতিবিদ আলী হামদান আরব নিউজকে বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের কিছু কোম্পানি সৌদিতে দীর্ঘদিন কাজ করছেন এমন দক্ষ ও অভিজ্ঞ অভিবাসী শ্রমিকদের নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, কাতার হচ্ছে সম্পদের দেশ; কিন্তু জনসংখ্যা কম হওয়ায় তাদেরকে শ্রমিক সংকটে ভুগতে হয়।

আলী হামদান জানান, ২০২২ সালে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ কাতার। একে কেন্দ্র করে দেশটির যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, পানি ও আবাসন ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন দরকার। সর্বোপরি সার্বিক উন্নয়নে কাতার কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে। একারণে সেখানে শ্রমিকের চাহিদা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাসের তথ্যমতে, সকল অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার জন্য গত ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সাধারণ ক্ষমার সময় বেধে দেয় সৌদি সরকার। তবে ওই সময়ের মধ্যে বৈধ না হতে পারা প্রায় ১৬ হাজার শ্রমিককে দেশে ফেরত পাঠায় সৌদি সরকার।

সৌদিতে বর্তমানে ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই