মেইন ম্যেনু

দিনাজপুর সংবাদ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট দ্বিতীয় চলছে
মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর:
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীদের ডাকা অনির্দিষ্ট কালের ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে। ধর্মঘটের কারণে বুধবার থেকে বন্দর দিয়ে আমদানী-রফতানি বন্ধ রয়েছে। ব্যবসায়ীদের সাথে ট্রাক ও কুলি শ্রমিক সংগঠন সহ বন্দর সংশ্লিষ্ঠ সংগঠন গুলো একাত্মতা ঘোষনা করায় বন্দরের ওয়ার হাউজে ট্রাকে পণ্য লোড-আনলোড ও পরিবহনের কাজ বন্ধ রয়েছে। ফলে বন্দর থেকে দেশের অভ্যন্তরে পণ্য নিয়ে কোন ট্রাক রওনা হয়নি। সব মিলিয়ে অচলবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বন্দরটিতে।
এদিকে, ব্যবসায়ীদের ৩ দফা দাবি মেনে নেয়ার দাবিতে ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠনের সমন্বয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় হিলি স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্ট থেকে চারমাথা মোড় পর্যন্ত এক মানব বন্ধন পালন করা হয়েছে। মানববন্ধন শেষে পানামা পোর্টের সামনে বাংলাহিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল কাশেম আজাদের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান লিটন, ট্রাক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান, কুলি শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি নুরু মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মুরশিদ আলম প্রমুখ।
বাংলাহিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের যুগ্ন সম্পাদক শাহিনুর রেজা শাহিন বলেন, ব্যবসায়ীদের ৩ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দলন চলবে।
উল্লেখ্য, বন্দর দিয়ে আমাদানী কৃত পণ্যের মেনিফিষ্টে (ট্রাক চালান) বিজিবি কর্তৃক সিল মারা, ব্যাবসায়ীদের সাথে অসৌজন্য মুলক আচরণ ও হয়রানীর প্রতিবাদে এবং জয়পুরহাট ৩ বিজিবি ব্যটালিয়নের অধিনায়কের অপসারণের দাবিতে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘট পালন করে আসছে বন্দরের ব্যবসায়ীসহ বন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন।

ঘোড়াঘাটে ৫ বছরের সাজা প্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার
মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ পুইয়া পাহাড়ী নামের ৫ বছরের সাজা প্রাপ্ত এক পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ গত বুধবার বেলা আড়াইটায় ঘোড়াঘাট পৌরসভার সাহেব গঞ্জ সংলগ্ন গোবিন্দগঞ্জ এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ঘোড়াঘাট থানা সূত্রে জানা যায়, গত ৮.০১.০৩ ইং তারিখে ঘোড়াঘাট পৌরসভার শহরগাছী এলাকার মৃত-সেরু পাহাড়ীর পুত্র পুইয়া পাহাড়ী, গাজীপুর জেলার শ্রীবরদী এলাকায় বিপুল পরিমান ফেন্সিডিলসহ থানা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে শ্রীবরদী থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামলা রুজু হয়। শ্রী বরদী থানার মামলা নং- ৪। পুইয়া পাহাড়ী জামিনে মুক্তি পেয়ে দীর্ঘ দিন পলাতক থাকে। পলাতক থাকা ্অবস্থায় বিজ্ঞ আদালত তাকে ৫ বছরের কারাদন্ড প্রদান করেন।
গোপন সুত্রে সংবাদ পেয়ে ঘোড়াঘাট থানার ্অফিসার ইনচার্জ ফরহাদ ইমরুল কায়েসের নির্দেশে এএসআই নজরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ বুধবার বেলা আড়াইটায় ঘোড়াঘাট পৌরসভার সাহেব গঞ্জ সংলগ্ন গোবিন্দগঞ্জ এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত পুইয়া পাহাড়ীকে বৃহস্পতিবার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নবাবগঞ্জ সেটেলমেন্ট অফিসে দালাল ছাড়া মিলছে না সেবা !

মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর:
খসড়া প্রকাশনা ও আপত্তি দায়েরের ক্ষেত্রে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ সেটেলমেন্ট অফিসে ভুমি মালিকদের নানা হয়রানীর অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আকতার হোসেন কতিপয় দালাল নিয়োগ করে এ হয়রানী করছে বলে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগিদের অভিযোগ, নবাবগঞ্জ সেটেলমেন্ট অফিসে দালাল ছাড়া মিলছে না সেবা।
প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ২৯ বিধি মোতাবেক খসড়া প্রকাশনা দেয়ার কথা। খসড়া প্রকাশনা কালে কমপক্ষে এক মাস ডি.পি খতিয়ান ভূমি মালিকের দেখার জন্য খোলা রাখার বিধান থাকলেও সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আকতার হোসেন অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের জন্য সবকিছুই করছে গোপনে। ডি.পি খতিয়ানে ভূলত্রুটি সারতে ভূমি মালিকদের দালালদের খপ্পড়ে পড়তে হচ্ছে।
ডি.পি চলাকালীন নির্দিষ্ট ফরমে নির্ধারিত কোর্ট ফি মাত্র ৫ টাকা দিয়ে আপত্তি কেস দায়ের করার আইনী সুযোগ থাকলেও দালালরা এ কাজে নিচ্ছে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা। প্রতিটি কর্মদিবসে দালালদের মাধ্যমে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আকতার হোসেন ৫ থেকে ১৫ টি আপত্তি কেস নিস্পত্তি করছেন।
সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আকতার হোসেন অভিযোগের বিষয়ে কোন মন্তব্য না করলেও বলেছেন, উদ্ধর্তন কর্তপক্ষ সবকিছুই জানেন। মিডিয়ায় প্রকাশ করে কিছুই হবে না।
সরজমিনে, নবাবগঞ্জ সেটেলমেন্ট অফিসে একাধিক দালালের অস্তিত্ব দেখা গেছে। আপত্তি দায়ের করতে আসা ভুমি মালিক মোকলেছার রহমান, আ: রউফ, মোমিনুর ইসলাম, জহুরুল ইসলাম সহ সকলেরই একই অভিযোগ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আকতার হোসেনের কাছে দালাল ছাড়া আপত্তি দায়ের কেস আলোর মুখ দেখে না।
ভুক্তভোগিরা আরো জানিয়েছে, প্রতিটি মুদ্রিত খতিয়ানের বিক্রয় মূল্য ৬০/= টাকা নগদে ডিসিআরে মাধ্যমে নেয়ার বিধান থাকলেও সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আকতার হোসেনের নিযুক্ত দালালদের দিতে হচ্ছে ৫শ’ থেকে দুই হাজার টাকা।
ভূমি মালিকরা হয়রানী রোধে উদ্ধর্তন কর্তপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।






মন্তব্য চালু নেই