মেইন ম্যেনু

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

তিন লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসার জন্য ডাক্তার মাত্র ২ জন

বর্তমান সরকার যখন চিকিৎসা সেবা মানুষের দোর গোড়ায় পৌছেঁ দিতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহন করছে, ঠিক তখনই সরকারের দেয়া সেসব পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে বসেছে চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্তরা। এমনই ঘটনার জন্ম দিচ্ছে দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা। এতে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চিরিরবন্দরের মানুষ।
চিরিরবন্দর উপজেলার ৩১ শষ্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটির প্রয়োজনীয় সংখক চিকিৎসক না থাকায় সেটি এখন নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সুত্রে জানা গেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ জুনিয়র সার্জন এম বি বি এস, ডাক্তার ও সহকারী সার্জনসহ মোট ২১ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও সেখানে বর্তমানে চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র তিন জন। তিন জনের মধ্যে একজন ডাক্তার হারুন- আর রশিদ প্রশিনে আছেন। বর্তমানে মাত্র দুই জন ডাক্তার আছেন, তারা হলেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মজিদ সরকার(টিএইচএ) আবাসিক মেডিকেল অফিসার পূর্ববী বর্মন। প্রতিদিনে অসুস্থ লোকজন চিরিরবন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি এক্সরেমেশিন থাকিলেও তা অযতœ অবহেলায় ধুলি বালির আস্তরন পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে কাঙ্খিত স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে এ অঞ্চলের তিন লাধিক মানুষ।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম অদতা থাকায় সেখানে প্রতিনিয়ত আসা ইনডোর ও আউটডোরের রোগীরা সঠিকভাবে ডাক্তার, ঔষধ এবং পথ্যসেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন কি সরকারি ঔষধ রোগীদের মাঝে সরবরাহের েেত্রও নানা রকম জটিলতার সৃষ্ঠি হওয়ায় বাজার থেকে ঔষধ কিন্তে হচ্ছে রোগীর স্বজনদের। ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং দরিদ্র পরিবারের রোগীরা তাদের রোগিদের চিকিৎসা করতে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে দিনাজপুর যেতে বাধ্য হচ্ছে। বর্তমান ডাক্তারেরা যারা আছেন তারা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোন নিয়মকে তওক্কা না করেই নিজেদের খেয়াল খুশি মত প্রতিনিয়ত আসা যাওয়া করছে, এমন ঘটনাও চোখে পড়ে।
এহেন পরিস্থিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে কয়েকজন সাংবাদিক গেলে হাসপাতাল অভ্যন্তরের নাজুক অবস্থা চোখে পড়ে। আবাসিক বেডগুলোতে (পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডে গুলোতে) ১০-১২ জন রোগী দেখা যায়। মহিলা ওয়ার্ডের মোছাঃ জামিলা খাতুন (৩০) স্বামী খাদেমুল ইসলাম গ্রামঃ নান্দেড়াই (বুকে সমস্যার জন্য) শনিবার ভর্তি হয়। মোছাঃ মতিজন স্বামী-সিরাজদ্দিন সাং সাহাপাড়া , মোঃ সাহাদাত হোসেন (১২) পিতা- মোয়াজ্জেম হোসেন সাং নান্দেড়াই (আঘাত জনিত কারনে) ভর্তি হয়। মোঃ মন্টু (৪০) মৃতঃ ইয়াসিত সাং হাটখোলা (বুকের সমস্যার কারনে) ভর্তি হয়। তারা জানান যে, বিগত কয়েকদিন থেকে হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও সময়মত চিকিৎসক আসে না এবং তারা চিকিৎসা সেবা ও পথ্যসেবা ঠিকমত পাচ্ছেন না। এ ব্যপারে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মজিদ সরকারের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসকের শুন্য থাকায় চিকিৎসা সেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই