মেইন ম্যেনু

তিন তালাক মানি না : সাইফ আলি খান

সম্প্রতি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি অনুষ্ঠানে এসে সাইফ আলি খান হিন্দুত্ববাদ নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করলেন। তিনি বলেছেন, ‘দেশ গঠনে জাতীয়তাবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জাতীয়তাবাদ ও হিন্দুত্ব এক জিনিস নয়। ’ তাঁর মত, সবার জন্য আইন সমান হলে হিন্দুরাষ্ট্রে বাস করতে সমস্যা নেই।

প্রখ্যাত গায়ক সোনু নিগম আজান নিয়ে টুইট করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। কোনও ধর্মীয় ভাবাবেগকে আঘাত করতে নয়, স্রেফ নিজের সমস্যার কথা বলতে গিয়ে ধর্মীর ধ্বজাধারীদের রোষের মুখে পড়েন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী। শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দেন সোনু। এবার শিল্পীমহলেরই আরেক সতীর্থ বিতর্কের বোমা ফাটালেন।

সাইফ আলি খানের বক্তব্য, ‘জাতীয়তাবোধ আর হিন্দুত্ব এক হয়ে গেলে অস্বস্তিবোধ করবেন সংখ্যালঘুরা। এতে আমাদের মতো লোকের হয়তো সমস্যা হবে না। কিন্তু বাকিদের হবে। ’ শুধু হিন্দুত্ববাদ নিয়ে নয়, তিন তালাক নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। কিছুদিন আগে প্রখ্যাত কবি তথা চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার তিন তালাকের অপব্যবহারের ব্যাখ্যা নিয়ে মুসলিম পারসোনাল ল’ বোর্ডকে একহাত নিয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় গর্জে উঠে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন এই প্রথার। এবার তার মতোই আসরে সাইফ। অকপট বলেছেল, ‘আমার আগে একজন স্ত্রী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। কিন্তু তিন তালাক মেনে নেওয়া যায় না। প্রাক্তন স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি আমার অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতা আছে। তা আমি পালন করছি। তিন তালাক আমি মানি না, অনুসরণও করিনি। ভারতীয় আইন ভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাহের সম্মতি দেয়। বিশেষ বিবাহ আইন মেনেই করিনাকে আমি বিয়ে করি। ’

তবে ধর্ম নিয়ে দুনিয়া জুড়ে যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে তা নিয়ে চিন্তিত সাইফ। মুসলিম বলে চিহ্নিত করলে ভয় করে বলে জানিয়েছেন তিনি। কারণ মুসলিম মানেই মনে করা হয় সে নির্দিষ্ট কতগুলি কাজ করে। যা বেশিরভাগ সত্যি নয়। কিন্তু সেগুলিই দিয়ে সেই ব্যক্তির প্রতি সবার আচরণ নির্ধারিত হয়। তা বেশ চিন্তার বিষয় মনে করেন তিনি। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন।






মন্তব্য চালু নেই