মেইন ম্যেনু

ট্রাম্পের সংরক্ষণ নীতি ঘােষণার পরই ডলারের পতন

ক্ষমতার চেয়ারে বসার আগে দেশের অর্থনীতি নিয়ে অনেক আশার কথা শুনিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডােনাল্ড ট্রাম্প। তার কথায় আস্থা রেখেছিলেন বহু মার্কিনি। কিন্তু প্রেসিডেন্টিয়াল অভিষেক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে সংরক্ষণবাদীতার ঘােষণা দেয়ার পর পতন হয়েছে ডলারের। টলমলে অবস্থা মার্কিনসহ বিশ্ব শেয়ার বাজারে।

ট্রাম্প কর কর্তন ও অবকাঠামো ব্যয় বাড়ানো অঙ্গীকার করার পর গত বছরের শেষ দিকে মার্কিন অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি কমেছিল। কিন্তু তার কর নীতির বিবরণ অসম্পূর্ণ থাকায় সে আশা ফিকে হয়ে যায়। আর ট্রাম্পের বক্তব্যের পর পর তো ডলারের দাম পড়েই গেল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল সহ বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়, জাপানি ইয়েনের বিপরীতে ডলারের মূল্য ১ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। ছয় সপ্তাহ আগে এক ডলারের বিপরীতে ১১৩ দশমিক ২৬ ছিল ইয়েনের মান। সেটা রোববার থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১১২ দশমিক ৫৭-তে।

মার্কিন ডলারের বিপরীতে গত ডিসেম্বরের পর সর্বোচ্চ শক্তিশালী অবস্থানে চলে গেছে ইউরো। ডলারের বিপরীতে ইউরোর মান বেড়েছে ০ দশমিক ৫ শতাংশ। এমনকি মার্কিন ডলারের বিপরীতে আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়েছে সাউথ আফ্রিকার মুদ্রা র‌্যান্ডও। এটি বেড়েছে ০ দশমিক ৮ শতাংশ।

ট্রাম্পের সংরক্ষণবাদ এবং অভিবাসী বিরোধী অবস্থানের কারণে মেক্সিকান পেসোর অবনমন ছিল প্রায় সবসময়। ট্রাম্পের অভিষেকের পর পেসোর মূল্যমানও বেড়েছে। এটিও বেড়েছে ০ দশমিক ৮ শতাংশ।

ট্রাম্প নিজের বক্তৃতায় ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (পিপিপি) থেকে সরে যাওয়ার অভিপ্রায় ঘোষণা করার পর জাপানের শেয়ারবাজার ১ দশমিক ১ শতাংশ পতন হয়েছে। একই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার বাজারে পতন হয় ০ দশমিক ৮ শতাংশ। এই দুটি দেশই ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপের সদস্য। মার্কিন বাজারে পতনের হার ০ দশমিক ৩ শতাংশ।

ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, দ্রুতই তিনি নর্থ আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নাফটা নিয়ে কথা বলবেন। কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গেও কথা হবে বলে জানান ট্রাম্প।

প্রত্যাশিতভাবেই পতন হয়েছে ইউরোপের শেয়ার বাজারে। ব্রিটেনের বাজার পড়েছে ০ দশমিক ৪ এবং জার্মানিতে ০ দশমিক ৩ শতাংশ। ডলার দুর্বল হওয়ায় পড়তি ভাব দেখা গেছে এশিয়ার বাজারেও। তবে এশিয়ার কয়েকটি দেশে শেয়ার বাজার চাঙ্গাই ছিল। সবচেয়ে ভাল অবস্থায় ছিল তাইওয়ানের বাজার।






মন্তব্য চালু নেই