মেইন ম্যেনু

ট্রাম্পের মুখে জিনপিংয়ের প্রশংসা

উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রশংসা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি খুব ভালো মানুষ, নিজের দেশকে ভালোবাসেন।

রয়টার্সকে ট্রাম্প বলেছেন, উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান তিনি কূটনৈতিকভাবেই সমাধান করতে চান, তবে বিষয়টা বেশ জটিল।

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং-উনের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন, এত অল্প বয়সে তিনি যে দায়িত্ব নিয়েছেন সেটাও সহজ ছিল না।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন ইতোমধ্যে চীনকে জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়া যদি আবার পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় তবে দেশটির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরপরই উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে চীনের দিকে আঙুল তুলেছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, সমস্যা সমাধানে চীন কিছুই করছে না। একই সঙ্গে তিনি এ ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন যে, চীন কিছু না করলে যুক্তরাষ্ট্র একাই ব্যবস্থা নেবে।

এ মাসের শুরুর দিকেই দেখা হয়েছে জিনপিং-ট্রাম্পের। রয়টার্সের সঙ্গে সাক্ষাতে ট্রাম্প বলেছেন, চীনা প্রেসিডেন্ট অবশ্যই অশান্তি আর মানুষের মৃত্যু চান না।

ট্রাম্প বলেন, জিনপিং চীনকে এবং চীনের মানুষকে ভালোবাসেন। আমি জানি, তিনি কিছু করতে চান তবে সম্ভবত তিনি কিছু করতে পারবেন না।

কিম জং-উনের বিষয়ে এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তার বয়স মাত্র ২৭ বছর। বাবার মৃত্যুর পর সে দায়িত্ব নিয়ে নিল। আপনার যা খুশি তা বলতেই পারেন, কিন্তু এই বয়সে এমন দায়িত্ব নেয়াটা মোটেই সহজ নয়।

তবে এর জন্য কিমকে মোটেও কোনো কৃতিত্ব দিচ্ছেন না ট্রাম্প।

শেষ পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বড় ধরনের একটা যুদ্ধের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তর কোরিয়া বেশ কয়েকবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। এছাড়া ষষ্ঠ পারমাণবিক পরীক্ষার হুমকিও দিয়ে আসছে দেশটি।

এসবের পর গেল কয়েক সপ্তাহে কোরীয় অঞ্চলে বেশ ক’টি রণতরী ও সাবমেরিন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র; যা আরও চটিয়েছে পিয়ংইয়ংকে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ায় বিতর্কিত ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী থাড স্থাপনের কাজও এগিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি চান এর খরচ বাবদ দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার দিক।

এরআগে বৃহস্পতিবার টিলারসন ফক্স নিউজকে জানিয়েছিলেন, চীন উত্তর কোরিয়াকে আরও পরীক্ষা চালান থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।

কিন্তু উত্তর কোরিয়া চীনের এ বার্তা পাত্তা না দিলে কী হবে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

চীন কখন উত্তর কোরিয়াকে এমন বার্তা জানিয়েছে সে বিষয়েও কিছু বলেননি টিলারসন। এ বিষয়ে বেইজিংয়ের তরফ থেকেও পরিষ্কার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পারমাণবিক পরীক্ষা বা আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা না চালিয়ে সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া জনসম্মুখে যেসব বক্তব্য দিয়েছে সে বিষয়টিও আসে টিলারসনের কথায়।

উত্তেজনা বাড়তে থাকার পর উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে আলোচনা আবার শুরুর কথা বলেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।






মন্তব্য চালু নেই