মেইন ম্যেনু

জানা গেল ত্রিকেটার আরাফাত সানীর গ্রেফতার হওয়ায় আসল রহস্য

জাতীয় দলের ক্রিকেটার আরাফাত সানীর সঙ্গে ২০১০ সালে পরিচয় হয় নাসরিন সুলতানার।

এরপর দুজন ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করেন, দুজন দুজনার প্রেমে পড়েন। ২০১৪ সালের রুবেল-হ্যাপির বিষয়টি যখন সারা দেশের আলোচনা কেন্দ্রবিন্দু ঠিক তখনই বিয়ে করেন তারা।

মোহাম্মদপুর থানায় নাসরিন সুলতানার দায়ের করা মামলার এজহার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাত বছর আগে পরিচয়ের সূত্র ধরে উভয়ের ঘনিষ্ঠতা হয় এবং এক পর্যায়ে তারা দুজন দুজনকে ভালবাসেন। ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর দুই পক্ষের অভিভাবকদের না জানিয়ে তারা বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের তিন বছরেও সানী দুই পরিবারের সঙ্গে আলাপ করে নাসরিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নিয়ে যাননি। বারবার এ বিষয়ে চাপ দিলেও তিনি কালক্ষেপণ করেন।

গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে নাসরিন সুলতানাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য তার পরিবার পাত্র খোঁজা শুরু করে। ওই সময় তাদের বিয়ের বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে তুলে নেওয়া অথবা বিবাহ বিচ্ছেদের মাধ্যমে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য আরাফাত সানীকে অনুরোধ জানান নাসরিন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘গত বছরের ১২ জুন রাতে ১টা ৩৫ মিনিটে নাসরিন সুলতানা (Nasrin Sultana) নামের একটি ফেসবুক ফেইক আইডি থেকে নাসরিনের আসল ফেসবুক মেসেঞ্জারে সানী-নাসরিনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ছবি পাঠানো হয়। ওই ফেইক আইডিটি আরাফাত সানির ব্যক্তিগত মোবাইলফোন নম্বর থেকে খোলা হয়েছিল এবং ওই ছবিগুলো শুধু সানির কাছেই ছিল।’

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মো. জামাল উদ্দীন বলেন, ‘তাদের যে সম্পর্ক ছিল তার যথেষ্ট কাগজপত্র পুলিশকে দিয়েছেন নাসরিন সুলতানা। আমাদের তদন্তে বেশ কিছু প্রমাণ ওঠে এসেছে। আদালতে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। আরাফাত সানিকে রিমান্ডে আনতে পারলে আরো তথ্য পাওয়া যাবে।’

ওসি আরো বলেন, ‘সানি-নাসরিনের পরিচয় অনেক দিনের। রুবেল-হ্যাপির ঘটনা যখন সারা দেশে আলোচনার ঝড় তুলছিল তখনো তাদের সম্পর্ক ছিল। হয়ত ওই সময় সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য তারা গোপনে বিয়ে করেছিলেন।’

তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব সরকার বলেন, ‘তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আরাফাত সানিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই