মেইন ম্যেনু

জাতীয় নেতা মহিউদ্দীন আহমেদ

মোস্তফা কামাল মাহ্দী : বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবনের পরশে গড়ে ওঠা ছোট্ট শহর পিরোজপুর। পরাধীন ভারতবর্ষের এই শহরেই কোনো এক দিন জন্মেছিলেন একজন মহান পুরুষ। সেদিনের জন্ম নেয়া সেই শিশুই আমাদের জাতীয় নেতা মহিউদ্দীন আহাম্মেদ। ১৯২৫ সালের ১৫ই জানুয়ারি তাঁর জন্ম। তবে জন্মতারিখ নিয়ে তাঁর স্পষ্ট কথা, “জন্মের এ তারিখটা ও সন যে নির্ভুল সে কথা হলফ করে বলতে পারব না। কারণ তখনকার দিনে জন্মতারিখ লিখে রাখার চল ছিল না। তবে, এই ১৫ জানুয়ারিই আমার জন্মতারিখ হিসেবে চলে আসছে।” (আমার জীবন আমার রাজনীতি, মহিউদ্দীন আহাম্মেদ, পৃষ্ঠা-২)

তাঁর বাবা আজাহারউদ্দীন আহাম্মেদ ছিলেন রাজনীতিবিদ। আর মা নুরুন্নাহার বেগম গৃহিণী। তাঁর বাবা ১৯২০ ও ১৯২৩ সালে পিরোজপুর থেকে বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। আজাহারউদ্দীন আহাম্মেদ ছিলেন চরিত্রবান, রুচিশীল ও বিজ্ঞানমনস্ক। মানবপ্রেম ও দানশীলতা ছিল তাঁর বিশেষ গুণ। বাবার এই গুণগুলো শিশুর ভেতরকে স্পর্শ করতে পেরেছিল খুব সহজে। পিরোজপুর শহরে শৈশব কাটিয়েছিলেন। ওখানেই শিক্ষায় হাতেখড়ি। ৬/৭ বছর বয়সে পিরোজপুর থেকে চলে আসেন মঠবাড়িয়ার গুলিশাখালী গ্রামের বাড়িতে। গুলিশাখালী জুনিয়র মাদ্রাসায় তিনি দ্বিতীয় থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। মঠবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী কে এম লতীফ ইনস্টিটিউটে পড়েছেন শুধু সপ্তম শ্রেণির পাঠটুকু।

গুলিশাখালীর বিশাল ধানক্ষেত, অপরিমেয় মুক্ত বাতাস, বিশাল প্রান্তর, বনজঙ্গল আর বাগানের সবুজ শ্যামলিমা, গাছে গাছে পাখির কলরব, পুকুর- ডোবা, খাল-বিল-নদীতে অফুরন্ত মাছ ও দীঘির টলটলে পানিতে সাঁতার কাটার আকর্ষণকে পিছনে ফেলে, জীবনের সব স্মৃতিময় ঘটনার মায়া ছেড়ে ১৯৩৭ সালে উন্নত পরিবেশে পড়ালেখার জন্য তিনি কলকাতায় চলে যান বড় ভাই ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ উদ্দীনের (একুশের প্রথম প্রভাতফেরি গানের রচয়িতা) কাছে। ওবছর অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হন বালিগঞ্জ সরকারি ডেমোনেস্ট্রেটিভ স্কুলে। এর আগেই মাত্র ১১ বছর বয়সে ১৯৩৬ সালের শেষের দিকে তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি। ১৯৩৭ সালের বঙ্গীয় আইনসভার নির্বাচনের কাজে মঠবাড়িয়া ও পিরোজপুরে টিনের চোঙা-ফোঁকা প্রচার কাজে অংশ নিয়ে নিষ্ঠাবান কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন এই মহান মানুষটি।

এমনকি তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষার আগেই ১৯৪২ সালে নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হয়েছিলেন। ইন্টারমিডিয়েট কিছু সময় পড়েছেন খুলনার দৌলতপুরের হিন্দু একাডেমীতে, কিছু সময় এলাহাবাদের ইয়ং ক্রিশ্চিয়ান কলেজে এবং বাকি সময় নদীয়ার কৃষ্ণনগর কলেজে। তখন তিনি নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের নদীয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। কৃষ্ণনগর কলেজ থেকে ১৯৪২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ভর্তি হন বরিশালের ব্রজমোহন কলেজে (বিএম কলেজ)। গণমানুষের জন্য আজীবন রাজনীতি করেছেন, হয়েছেন জাতীয় নেতা।

১৯৪০ সালে, যখন তাঁর বয়স মাত্র ১৫ বছর, লাহোর প্রস্তাব খ্যাত মুসলিম লীগ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন এই নেতা। ১৯৪১ সালে হুলওয়ে মনুমেন্ট আন্দোলনে অংশ নিয়ে প্রথম গ্রেফতার হন তিনি। ১৯৪২ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত সময়ে রাজনীতিতে ঘটেছিল তাঁর ঝটিকা উত্তরণ। ১৯৪২ সালের দুর্ভিক্ষে ভুখা মানুষের জন্য লঙ্গরখানা খোলা, মজুতদারের বিরুদ্ধে আন্দোলন পরিচালনা এবং শ্যামা-হক মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ জানানোর মধ্য দিয়ে তিনি পরিণত হয়েছিলেন খুদে জঙ্গী নেতায়। তাঁর এই সংগ্রামী ভূমিকার জন্যেই নদীয়ার মুসলিম ছাত্রসমাজ তাকে মুসলিম ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেছিল। সেই সঙ্গে মুসলিম ছাত্রলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৪৩ সালে তিনি সর্বভারতীয় ছাত্রনেতার দুর্লভ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। এক চোটে তিনি নিখিল ভারত ছাত্র ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য হয়েছিলেন। ১৯৪৪ সালে তিনি ছিলেন বরিশাল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৪৬ সালে হয়েছিলেন বরিশাল জেলা মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক। সে বছর কলিকাতায় রশিদ আলী দিবসে আন্দোলনে নেতৃত্বদানের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেফতার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তিনি। সিলেট জেলা পাকিস্তানে আসবে না ভারতে যাবে এ নিয়ে ১৯৪৭ সালে অনুষ্ঠিত গণভোটে তিনি পাকিস্তানের পক্ষে সক্রিয় প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত সিলেট পাকিস্তানভুক্ত হয়েছিল। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন তিনি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ফরিদপুর জেলে আটক। তিনি ও বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে জেলে অনশন পালন করেন। ৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে মঠবাড়িয়া থেকে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। ৬২-র ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬৬-র ৬-দফা আন্দোলন এবং ৬৯-এর গণআন্দোলনে মহিউদ্দীন আহাম্মেদ ছিলেন প্রথম সারির নেতা। ১৯৭১ সালে যে যৌথ নেতৃত্ব স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনা করে, তিনি ছিলেন তারই একজন। ১৯৭৩ সালে তিনি আওয়ামী লীগে ফিরে আসেন এবং মঠবাড়িয়া থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন । এছাড়া আওয়ামী লীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠিত হলে পলিটব্যুরোর ১৫ জনের একজন হিসেবে মনোনীত হন এমনকী তিনি বাকশাল নামের প্রস্তাবক। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর দু’বছর আত্মগোপন শেষে মহিউদ্দীন আহাম্মেদ ১৯৭৭ সালে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠিত করেন। ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে সংসদে বিরোধী দলের উপনেতার দায়িত্ব পালন করেন। নতুন করে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করা এবং জেনারেল জিয়ার আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বিরোধী আন্দোলনের ব্যক্তি ও দলগতভাবে ভূমিকা রেখে এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। জেনারেল জিয়াকে হত্যা ও বিচারের আগেই মঞ্জুরের মৃত্যু নিয়ে ব্যাপক ধোঁয়াশা সৃষ্টি হওয়ায় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে মহিউদ্দীন আহাম্মেদ সেনা হেফাজতে মঞ্জুর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি খোলাসা করার জন্য ১৯৮১ সালের ২১শে জুন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। পুলিশ কর্তৃপক্ষ এ মৃত্যু সম্পর্কে সংবাদপত্রের কাছে বিবৃতি দিয়েছিল। সরকারি মুখপাত্রের দেওয়া বিবরণের সঙ্গে সেটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কর্তৃপক্ষের এমন স্ববিরোধী বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে মহিউদ্দীন আহাম্মেদ দাবি করেন, বিচারের আগে মঞ্জুরকে কীভাবে হত্যাকারী বলে আখ্যায়িত করা হচ্ছে, তা তাঁকে জানাতে হবে। এভাবেই তিনি সরকারকে চাপ দিয়েছিলেন। এভাবেই এদেশের প্রতিটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার।

১৯৮২ সালে এরশাদের ক্ষমতা দখলের পর এক বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে মহিউদ্দীন আহাম্মেদের ভূমিকা অগ্রনায়কের। ১৯৮৩ সালের ৮ই আগস্ট তিনি ও আব্দুর রাজ্জাক আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর শেষ আদর্শ বাকশাল পুনরুজ্জীবিত করে তার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এই সময় সংঘটিত প্রতিটি আন্দোলনে নিরাপোষী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে কেবল আন্দোলনকে শাণিত ও খুরধারই করেননি, এরশাদের আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচন বর্জন করে তিনি তার পতনকে ত্বরান্বিত করেছেন। ১৯৯১ সালে তিনি মঠবাড়িয়া থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে বাকশাল আওয়ামী লীগে অন্তর্ভুক্ত হলে তাকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়।

মহিউদ্দীন আহাম্মেদের সমগ্র জীবনই ব্যয়িত হয়েছে জনগণের কাজে। বাংলাদেশের গণমানুষের দাবি নিয়ে তিনি যেমন এদেশে গড়ে তুলেছেন গণআন্দোলন, তেমনি এদেশের মানুষের কথা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার জন্য তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশে-বিদেশে। কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, মিশর, ইয়েমেন, চেকোশ্লোভাকিয়া, যুগোশ্লাভিয়া, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, সুইডেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন, পোল্যান্ড, পূর্ব জার্মানি, পশ্চিম জার্মানি, ফ্রান্স, হল্যান্ড, বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও কানাডায় বিভিন্ন সময় তিনি গিয়েছেন এদেশের মানুষের পক্ষে জনমত সংগঠিত করার জন্য।

এই মহান নেতা আজ আমাদের মাঝে নেই। ১৯৯৫-৯৬ দিকে গুলিশাখালীতে প্রধান শিক্ষক নূর হোসাইন মোল্লার বাসায় থাকার সুবাধে মহান এই নেতাকে খুব কাছে থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। তবে তিনি আমাদের মাঝে আছেন, থাকবেন অনন্তকাল তাঁর কর্মের মাধ্যমে। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে অজপাড়াগাঁ থেকে জাতীয় পর্যায় উঠে আসতে হয়। কীভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে লড়তে হয়। এই জাতীয় নেতার স্মরণে ধানমন্ডির ৩৩নং রোডটি ২০০৭ সালের ৩১শে জুলাই ঢাকা সিটি করপোরেশনের বিএনপিদলীয় মেয়র সাদেক হোসেন খোকা নামকরণ করেন ‘মহিউদ্দীন আহাম্মেদ সড়ক’। তিনি কোনো দলের ছিলেন না, তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির। অথচ তাঁর নিজ এলাকা মঠবাড়িয়ায় তাঁর নামে কী রয়েছে? একটা কলেজ রয়েছে, তাও তাঁর নিজের প্রতিষ্ঠিত। কলেজ প্রতিষ্ঠার সময় জমি নিয়ে কী হয়েছিল তা একটু পরে আলোচনা করছি। অথচ এমন উঁচু মাপের একজন নেতার নামে অনেক প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। আমরা কি তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এমন কিছু করেছি?

অনেক বছর আগের কথা। মঠবাড়িয়া সবেমাত্র পৌরসভা হয়েছে। ’৯৫ বা ’৯৬ সালের দিকে মঠবাড়িয়ার সব রাস্তার নামকরণ করলেন পৌর কর্তৃপক্ষ। ও সময় কে এম লতীফ স্কুল থেকে গুলিশাখালী পর্যন্ত সড়কটিকে ‘মহিউদ্দীন আহাম্মেদ সড়ক’ নামে নামকরণ করা হয়েছিল। শুধু এটুকুই। কোনো ফলক নেই, নেই কোনো প্রচার। এ ঘটনা মঠবাড়িয়ার এক শতাংশ মানুষও জানে কি না সন্দেহ। মঠবাড়িয়াকে যিনি বিশ্বের কাছে চিনিয়েছিলেন, তিনি আজ মঠবাড়িয়ার মানুষের কাছে অপরিচিত ও উপেক্ষিত। নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর কর্ম তো দূরের কথা, তাঁর নাম পৌঁছাবে কি না আমার সন্দেহ। আমাদের কি কোনো ভূমিকা নেই? আমাদের জনপ্রতিনিধিরা কি তাঁর কাছ থেকে কিছু শিক্ষা নিতে ভয় পান? পৌর কর্তৃপক্ষের প্রধান ব্যক্তি তো তাঁরই আপনজন। তিনি কেন কোনো ভূমিকা নিচ্ছেন না? তিনি কি পারেন না সড়কটির নামকরণের জন্য দুটি ফলক তৈরি করতে? কত টাকার বাজেট প্রয়োজন? পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছি, যত দ্রুত সম্ভব সড়কটির নামফলক তৈরি করবার জন্য। আমি মঠবাড়িয়াবাসীর কাছে একটা প্রস্তাব রাখছি, এই মহান নেতাকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে তাঁর একটি স্মৃতি ভাস্কর্য করা যায় কি না। এক্ষেত্রে আমরা যারা মহিউদ্দীন আহাম্মেদকে ভালোবাসি তারা কি কোনো ভূমিকা নিতে পারি? এছাড়াও মঠবাড়িয়ায় প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান বা অন্য কিছু এই সাহসী নেতার নামে নামকরণ করে নব প্রজন্মের কাছে তাকে তুলে ধরা যায় কি না, মঠবাড়িয়াবাসীকে একটু ভেবে দেখবার অনুরোধ করছি।

১২ই এপ্রিল ১৯৯৭। হঠাৎ ১১টার বিশেষ সংবাদ বুলেটিং। রেডিও থেকে ভেসে এলো, বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ জাতীয় নেতা মহিউদ্দীন আহাম্মেদ আর নেই। মহান এই জাতীয় নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আমীন।

লেখক : সম্পাদক ও প্রকাশক, সাপ্তাহিক দেশগ্রাম।






মন্তব্য চালু নেই