মেইন ম্যেনু

জঙ্গি দমন না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে : বেনজীর

সমূলে উৎপাটন না হওয়া পর্যন্ত জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন এক রকম যুদ্ধের মধ্যে আছি। এই জঙ্গিদের দমন না করা পর্যন্ত আমরা থামবো না। আমাদের এ অভিযান চলবে।’

শুক্রবার বিকেলে দিকে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদের দ্বিতীয় জানাজা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, আমরা যাকে (র‌্যাবের গোয়েন্দা প্রধান লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদ) হারিয়েছি তার ক্ষতি পূরণীয় নয়।

এ সময় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘মৌলভীবাজারের আস্তানায় থাকা জঙ্গিরাই সিলেটের আতিয়া মহলের বাইরের বিস্ফোরণগুলো ঘটায়। পরবর্তীতে তাদের সন্ধান পেয়েই সেখানে আমরা অভিযান শুরু করি।’

জঙ্গিবাদের পেছনে কারা মদদ দিচ্ছে এবং অর্থদাতাদেরও তদন্ত করে খুঁজে বের করা হবে বলেও জানান এ পুলিশ প্রধান।

এর আগে বাদ জুমা ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় আবুল কালামের কর্মস্থল র‌্যাব সদর দফতরে। সেখানে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জানাজায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়াসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৫ মার্চ সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় জঙ্গি আস্তানার বাইরে বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদ। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার দেয়া হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হলে হেলিকপ্টারে ঢাকা সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আনা হয়।

সেখান থেকে গত ২৬ মার্চ এয়ারঅ্যাম্বুলেন্সে নেয়া হয় সিঙ্গাপুরে। তবে দু’দিন পর সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে গত বুধবার (২৯ মার্চ) লে. কর্নেল আজাদকে দেশে এনে আবারও সিএমএইচ`র আইসিইউতে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) দিনগত রাতে মারা যান তিনি।

রাজধানী বনানী সামরিক কবরস্থানে লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদকে দাফন করা হবে।






মন্তব্য চালু নেই