মেইন ম্যেনু

‘জঙ্গি আস্তানায়’ কতজন অবস্থান করছে?

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুরের শিবনগর এলাকায় ‘জঙ্গি আস্তানা’ সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা।

বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়। ইতিমধ্যে সোয়াতের একটি টিমও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই গ্রামে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া ওই ‘জঙ্গি আস্তানার’ আশপাশের এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। যেকোনো সময় বাড়িটিতে অভিযান চালানো হতে পারে।

জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িটিতে ৭/৮ জন অবস্থান করছে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরমধ্যে শিবনগর গ্রামের বাসিন্দা আবু, তার স্ত্রী সুমাতুন ও দুই কন্যা রয়েছেন। এছাড়া আরও ৩-৪ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি থাকতে পারে।

আবু সন্দেহভাজন জঙ্গি বলে দাবি করছে পুলিশ। স্থানীয়রা বলছেন, ঘিরে রাখা বাড়িটি থেকে আধা কিলোমিটার দূরের আফসার আলীর ছেলে আবু।

আবুর মা ফুলসানা বেগম জানান, পরিবারের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তার ছেলে পরিবার নিয়ে বাড়ি ছেড়ে ঘিরে রাখা ওই বাড়িটিতে ওঠেন।

জানা গেছে, শিবগনগর ত্রিমোহনীর বাড়িটির মালিক সাইদুর রহমান জেন্টু। গত ফেব্রুয়ারিতে আবু পরিবার নিয়ে বাড়িটিতে ওঠেন বলে জানিয়েছেন জেন্টুর ছেলে আনারুল ইসলাম।

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এক কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে প্রথমে কানসাট ইউনিয়নের আব্বাস বাজার এলাকার একটি বাড়ি ঘেরাও করা হয়। তবে সেখানে জঙ্গির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, পরে শিবগনগর ত্রিমোহনী এলাকায় জেন্টুর বাড়ি ঘেরাও করে কাউন্টার টেরোরিজম সদস্যরা। এসময় ওই বাড়ি থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়া হয়। জবাবে পুলিশও কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ওই বাড়িটি ঘিরে রেখেছে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। বাড়ির আশপাশ আলোকিত করতে তিনটি জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিবেশীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী ও অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে। শিবনগর গ্রামে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

এদিকে বিকালে ঢাকা থেকে যাওয়া পুলিশের বিশেষ বাহিনী সোয়াতের সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার টিএম মোজাহিদুল ইসলাম জানান, ‘কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা তাদের সহায়তা করছি।’

তবে কখন অভিযান পরিচালনা করা হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেন তিনি।






মন্তব্য চালু নেই