মেইন ম্যেনু

ঘরের সব গোপন কথা ফেসবুকে শেয়ার করতেন স্ত্রী, যে মারাত্মক পদক্ষেপ নিলেন স্বামী

আজকের দিনে ফেসবুকের নেশা থাকে অনেকেরই। জীবনের নানা ঘটনা, অনু‌ভূতি, অভিজ্ঞতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা অনেকেরই অভ্যেস। কিন্তু তার যে মারাত্মক মূল্য দিতে হল পুণের সোনালি এবং তাঁর স্বামীকে, তা কল্পনার অতীত।

ভারতের পুণের হড়পসর এলাকার শিবসাই অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা রাকেশ গাঙ্গুর্দে (৩৬)-র সঙ্গে চার বছর আগে বিয়ে হয় সোনালি(২৮)-র। বিয়ের পর থেকেই খুব একটা শান্তিপূর্ণ ছিল না দু’জনের সংসার। সোনালি সারা দিন ব্যস্ত থাকতেন মোবাইলে। মোবাইল খুলে ফেসবুক ঘাঁটতে ঘাঁটতে কেটে যেত দিনের অধিকাংশ সময়। আই টি প্রফেশনাল রাকেশ বিষয়টি নিয়ে অনেক বার আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সোনালি তাঁর অভ্যেস বদলাতে পারেননি।

ফেসবুকে শেয়ার করতেন নিজের বান্ধবীদের সঙ্গে। এমনকী স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হলে সেই কথাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সবাইকে জানাতেন। এই নিয়ে অশান্তি চরমে ওঠে গত ১৭ ‌জানুয়ারি রাত্রে। সে দিন অফিস থেকে ফিরে স্ত্রীকে মোবাইলে ব্যস্ত থাকতে দেখে অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠেন রাকেশ। তাঁর বচসা শুরু হয় সোনালির সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত গলা টিপে সোনালিকে হত্যা করেন রাকেশ। তার পর নিজেদের দাম্পত্য অশান্তির কথা জানিয়ে লেখেন একটি দীর্ঘ সুইসাইড নোট। অতঃপর গলায় দ়়ড়ি দিয়ে ঝুলে পড়েন।

১৮ তারিখ সকাল থেকে সোনালির ভাই বার বার দিদির মোবাইলে ফোন করেন, কিন্তু ফোন বেজে যায়। বিকেল পর্যন্ত ফোনে সাড়া না পেয়ে সোনালির ভাই, তাঁর বাবা-মাকে নিয়ে হাজির হন রাকেশ-সোনালির ফ্ল্যাটে। ফ্ল্যাটের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে তাঁরা দেখেন, রাকেশ-সোনালি দু’জনের কেউই জীবিত নেই।

সোনালির পরিবারের লোকজন পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে মৃতদেহ দু’টি উদ্ধার করে এবং রাকেশের সুইসাইড নোটটি আবিষ্কার করে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, রাকেশ যে সোনালিকে হত্যার পরে আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে তারা মোটামুটি নিশ্চিত। তবে এ বিষয়ে আরও তদন্ত চালিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। -এবেলা।






মন্তব্য চালু নেই