মেইন ম্যেনু

‘গোপন কথা ফাঁসের জন্য বিএনপি নেতারাই যথেষ্ট’

রাষ্ট্রপতির কাছে বিএনপির সার্চ কমিটির প্রস্তাবের বিষয়ে গোপনীয়তা লংঘনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বিএনপির গোপন কথা ফাঁসের জন্য বঙ্গভবনের আশ্রয় নিতে হয় না। এ জন্য বিএনপি নেতারাই যথেষ্ট। মামলা থাকার কারণে জেল-জুলুমের ভয়ে তারা গোয়েন্দাদের তথ্য দেন।’

এর আগে রোববার এক আলোচনায় বিএনপি সার্চ কমিটির জন্য বিচারপতি কে এম হাসানের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব করেছে বলে জানান কাদের।

এর প্রতিক্রিয়ায় ওই দিনই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কাদেরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির গোপনীয়তা লংঘনের অভিযোগ আনেন।

একদিন পর সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রয়াত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের স্মরণসভায় এসে কাদের জানান, তিনি মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে অবাক হয়েছেন।

কাদের বলেন, ‘আমি অবাক হয়েছি ফখরুল সাহেবের বক্তব্য শুনে। তিনি স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে তারা একজন ব্যক্তির নাম উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। কিন্তু বঙ্গভবনের সঙ্গে যোগসাজশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাকি তা ফাঁস করেছেন, গোপনীয়তা ভঙ্গ করেছেন। এটা তার অভিযোগ।’

কাদের আরও বলেন, ‘আবার ফখরুল সাহেব বললেন, আমরা নাম পাঠাইনি। আসলে ঠাকুর ঘরে কেরে, আমি কলা খাই না! তাহলে কী দাঁড়ালো? একদিকে গোপনীয়তা লংঘনের কথা বলছেন, আরেকদিকে নাম পাঠাননি বলছেন। এটা স্ববিরোধিতা। নাম যদি নাই পাঠান তাহলে গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগ কীভাবে আসে? কীভাবে নাম ফাঁস হলো?’

তিনি বলেন, ‘আসলে ফখরুল সাহেব কথার ফাঁদে আটকে গেছেন।’

সরকারের এ মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির গোপন কথা জানতে কি আমাদের বঙ্গভবনের আশ্রয় নিতে হবে? বিএনটির গোপন কথা ফাঁসের জন্য বিএনপিই যথেষ্ট। যাদের নিয়ে সংলাপে গেলেন, ফখরুল সাহেব কি তাদের বিশ্বাস করেন?’

মির্জা ফখরুলের উদ্দেশ্যে কাদের বলেন, ‘মামলা আছে তো, জেল-জুলুমের ভয়ে আপনার অনেকেই গোয়েন্দাদের কাছে সব বলে দেয়। এটা অনেকেই জানে। ফখরুল সাহেবকে বলবো, আপনার দলের অফিসে, আপনার সামনেই একদল আরেকদলকে সরকারের দালাল বলে।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘নিজেরা নিজেদের বিশ্বাস করুন। মিথ্যা পরিহার করুন। রাজনীতিটা ইতিবাচক ধারায় করুন।’

পুরান ঢাকার হোসেনী দালানে অনুষ্ঠিত এ স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই