মেইন ম্যেনু

গণমাধ্যম ভুল করলে দেশ রসাতলে যাবে : ইনু

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, গণমাধ্যম  ভুল করলে দেশ রসাতলে যাবে। রোববার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলায়তনে অনলাইন নিউজপোর্টাল নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, গণমাধ্যমের ভুল করার কোনো সুযোগ নেই। দেশে এখনো গোঁজামিল তত্ত্ব চলছে। তাইতো ভুয়া জন্মদিন তত্ত্ব, স্বাধীনতার ঘোষণা তত্ত্ব, প্রথম রাষ্ট্রপতি তত্ত্ব দেখতে পাই। আমরা এখন এসব গোঁজামিল তত্ত্ব থেকে বেরিয়ে আসতে চাচ্ছি। আর এক্ষেত্রে একমাত্র আশ্রয় গণমাধ্যম।

তিনি আরো বলেন, “গণমাধ্যমকে শুধু নিরপেক্ষ হয়ে রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাঁটার ভান করলে চলবে না।

গণমাধ্যমকে অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে। ধরেন বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের মধ্যে  যুদ্ধ হচ্ছে । এসময় গণমাধ্যম যদি নিরপেক্ষতার কথা বলে রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাঁটে তাহলে তো বস্তুনিষ্ঠতা থাকলো না।”

মার্কিন ফ্রিডম হাউস ও মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ২০১৪’ শীর্ষক প্রতিবেদনের সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি এ  প্রতিবেদনের সঙ্গে একমত নই। তারা  কিসের ভিত্তিতে এমন জরিপ করলো তা আমার বোধগম্য নয়। তাদের এ জরিপের মাপকাঠি কি- তা জানাতে হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা আমি আজ অফিসে গিয়ে ঠিক করবো।

৫ জানুয়ারির নির্বাচন ও নারায়ণগঞ্জের ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, গণমাধ্যম এ সময় যথাযথভাবে তাদের কাজ করতে পেরেছে। সরকার বা প্রশাসন যদি তাদের বাধা দিত তা’হলে তারা এগুলো প্রকাশ করতে পারতো না।”

হাসানুল হক ইনু বলেন, সমালোচনা সহ্যের ক্ষমতা থাকতে হবে আমাদের। আমি মনে করি ইতিমধ্যে আমাদের এ ক্ষমতা সৃষ্টি হযেছে। তবে আমরা যদি কোনো নিউজ নিয়ে সামান্য উষ্মা প্রকাশ করি তা’হলে আপনারা আরো বেশি রাগ করেন।”

অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রসংশা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “অনলাইন গণমাধ্যম মাধ্যমের প্রধান সুবিধা হচ্ছে দ্রুততা। এর মাধ্যমে আজ পৃথিবীর যে কোনো জায়গা থেকে খবর পরতে পারবেন। অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা ৩৫ কোটি বাংলা ভাষাভাষি মানুষ বাংলাদেশের খবর জানতে পারছেন।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’র সম্পাদক নজরুল ইসলাম মিঠু, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, প্রেস ইনিস্টিটিউট’র মহাপরিচালক শাহ আলমগীর প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই