মেইন ম্যেনু

পশ্চিমবঙ্গে মমতার আসন ৩৪, রাহুলের ৪, মোদির ২

কেন্দ্রে মোদি রাজা হলেও রাজ্যের রাণী মমতা

শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোট গণনার ফল যতই প্রকাশ পাচ্ছে ততই উৎকণ্ঠার অবসান হচ্ছে। কেন্দ্রে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পথে অনেকদূর এগিয়ে গেছেন নরেন্দ্র মোদি ও তার জোট। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদিকে ভারতবাসী দেখবে কী দেখবে না তা নিয়ে অনেক জল্পনা কল্পনা হয়েছে। তেমনি পশ্চিমবাংলার তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে নিয়েও অনেক শঙ্কা ছিল। তৃণমূল দিল্লি জয়ের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু শেষমেষ দিল্লির মসনদে মোদি আর পশ্চিমবাংলার গদিতে মমতাকেই বসতে হচ্ছে।

অনেকেই পশ্চিমবাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে বেঁধে রেখেছিল গোটা বিশেক আসনে। গত লোকসভা ভোটে যেখানে ১৯টি কেন্দ্রে জিতে রাজ্যে পালাবদলের ঝড় তুলেছিল তৃণমূল, সেখানে পাঁচ বছরে গঙ্গা দিয়ে এত জল বয়ে যাওয়ার পর মাত্র ১টি বাড়তি আসন প্রাপ্তির ইঙ্গিত মোটেও স্বস্তি আনতে পারেনি। তবে ফলাফলের দিকে তাকালে দেখা যায়, রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৩৪টি-তেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা জিতে গেছে। অন্যদিকে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বাম ব্লক পুরোপুরি মুখ থুবড়ে পড়েছে ভোটের রাজনীতিতে।

রাজ্যে মমতা ব্যানার্জি নিরঙ্কুশভাবে জিতলেও তার গলায় কাঁটার মতো বিঁধে আছে বিজেপির দুইটি আসন। বাম ব্লক এবং কংগ্রেস হালে পানি না পাওয়ায় যতটা আনন্দিত মমতা ব্যানার্জি ঠিক ততটাই উৎকণ্ঠিত বিজেপির কারণে। তাহলে কি আগামীতে মমতাকে লড়াই করতে হবে উগ্রবাদী বিজেপির সঙ্গে? আগামী বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে এ চিন্তা মমতা ব্যানার্জিকে চিন্তিত করতেই পারে। ভোট প্রাপ্তির শতাংশের হিসেবে এবার বিজেপি কিন্তু অন্যান্যবারের তুলনায় বেশ ভালো অবস্থানেই আছে।

বিকেল পাঁচটায় রাজ্যে নির্বাচনী ফলাফল চূড়ান্ত হয়েছে। মোট ৪২ আসনের ৩৪টিই পেয়েছে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস। এরপরই আছে রাহুলের কংগ্রেস। তারা পেয়েছে ৪টি আসন। মোদির বিজেপি সুবিধে করতে পারেনি বাম দলের মতই। বিজেপি ও বামফ্রন্ট উভয়েই পেয়েছে ২টি করে আসন। রাজ্যবাসী ভিন্নতর একটি ব্যাপারে আলোকপাত করেছে তাদের ভোটের মাধ্যমে। সেটা হচ্ছে, অসাম্প্রদায়িকতার স্পর্শকাতর নৌকোর দাঁড় এখন শুধু বাম দলগুলোর হাতে নেই। মমতা পর্যাপ্ত আস্থা অর্জন না করলেও ভোটে নিশ্চয়ই তার জবাব মিলতো।






মন্তব্য চালু নেই