মেইন ম্যেনু

কৃষকের ছেলে, কিন্তু চার বছর বয়সেই বিশ্বটা তার হাতের মুঠোয়!

২১৩টি রাষ্ট্রের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান একেবারে ঠোঁটের গোড়ায় ছিল কৌটিল্যের। তার স্মৃতিশক্তির বহর দেখে বিশেষজ্ঞরা কৌটিল্যের নাম দিয়েছিলেন ‘গুগল বয়’। এবার কৌটিল্যের শহর হরিয়ানা থেকে ১৩৫০ কিলোমিটার দূরবর্তী এক শহরে আর এক বিস্ময়বালকের সন্ধান মিলল। স্মৃতিশক্তিতে সে কৌটিল্যের থেকে কোনো অংশে কম যায় না।

প্রত্যেকটা দেশের পতাকা সে দেখামাত্র চিনে নিতে পারে। সেই সঙ্গেই স্কুলের উঁচু ক্লাসে পড়ানো হয় যে পর্যায়সারণী বা পিরিয়ডিক টেবিল, তা-ও আদ্যোপান্ত কণ্ঠস্থ তার। সারা পৃথিবীর যাবতীয় বিতর্কিত রাষ্ট্রনেতার নামও সে গড়গড় করে বলে যেতে পারে। কিন্তু ছেলের এই আশ্চর্য প্রতিভার কথা কীভাবে আবিষ্কার করলেন তার বাবা-মা?

বিভিন্ন দেশের নাম, পতাকার ছবি— এই সমস্ত লেখা থাকত বইগুলোতে। আমি লক্ষ্য করেছিলাম, ও কোনও বই নিয়ে কিছুক্ষণ একমনে বসে থাকার পরেই মুখস্থ বলার ভঙ্গীতে বইয়ে পড়া সমস্ত তথ্য বলে যেতে পারে। আমরা দেখে তাজ্জব বনে গিয়েছিলাম।

কুলদীপ বলছেন, ‘প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরেই কি না জানি না, যেকোনো নতুন বিষয় অভিষেক অত্যন্ত তাড়াতাড়ি শিখে নিতে পারে। সেই কারণে ও পড়তেও শিখেছে অন্যান্য বাচ্চাদের তুলনায় অল্প বয়সে। ’ কিন্তু শুধু প্রতিভার জোরে যে পড়াশোনা চলে না, তা কুলদীপ ভালোমতোই জানতেন।

গত বুধবার জীবনে প্রথমবার স্কুলে গিয়েছিল অভিষেক। সরকারি খরচে তার পড়াশোনার বন্দোবস্ত করে দিতে পেরে খুশি শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। স্টেট ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম কোঅর্ডিনেটার শচীন কুমার এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘অভিষেক অবিশ্বাস্য প্রতিভাধর ছেলে। আমরা চাইনি, ওর প্রতিভা অপচয়িত হোক। ওর মতো আর কোনও শিশু আমরা কখনো দেখিনি। ’

আগে যে কোনও বই দশ-পনেরো মিনিটের মধ্যে পড়ে শেষ করে ফেলে নতুন বইয়ের জন্য বায়না ধরত অভিষেক। কিন্তু অত বই কেনার টাকা কোত্থেকে পাবেন কুলদীপ? এবার আর বই কেনার জন্য ভাবতে হবে না তাকে। খোদ সরকার যে অভিষেকের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছে। স্বভাবতই খুশি কুলদীপ।






মন্তব্য চালু নেই