মেইন ম্যেনু

কী কথা হবে এরদোগানের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তুরস্কে সফরে আসছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে ব্রেক্সিট পরবর্তী বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মে’র মুখপাত্র।

স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে আঙ্কারা এসে পৌঁছাবেন থেরেসা মে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেড়িয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে তুরস্কের সঙ্গে একটি নতুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরির বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়াও, নিরাপত্তা নিয়েও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এরদোগানের আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

থেরেসা মে’র মুখপাত্র বলেন, ‘এই দুই নেতার মধ্যে একটি নতুন বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি একটি কৌশলগত নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হবে।’

এদিকে, ব্রেক্সিট বিষয়ক সম্পাদক ডেভিড ডেভিস পূর্বাভাস দিয়েছেন যে, ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেড়িয়ে আসার ১২ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে বিশ্ব বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে ‘সম্পূর্ণরূপে দরকষাকষি’ শুরু হতে পারে।

মার্চের শেষ নাগাদ আর্টিকেল-৫০ বাতিলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটি। এ পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে।

মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো তুরস্কে সফর আসছেন মে। গেল বছরের ১৫ জুলাই ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রেসিডেন্ট এরদোগান বিরোধীদের উপর কঠোর দমন-পীড়ন চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।

তুরস্কের মানবাধিকারের বিষয়টি নিয়ে থেরেসা মে কোন প্রশ্ন তুলবে কিনা সে সম্পর্কে তার মুখপাত্র বলেন, ‘যেহেতু অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার পরে তুরস্কের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি আমরা আমাদের দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করেছি; সেক্ষেত্রে তা আলোচনায় প্রাধান্য নাও পেতে পারে।’ সূত্র: বিবিসি






মন্তব্য চালু নেই