মেইন ম্যেনু

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদ

কলারোয়ায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

কলারোয়ায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে উপজেলার বাকসা গ্রামের আকরাম আলী সরদারের ছেলে মধু সরদার (৪৫)কে তার বাড়ী থেকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। সে একটি মামলার (জিআর-৬৮/৯৩) ২ বছরের কারাদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী বলে জানা গেছে।

কলারোয়ায় আজিমুচ্ছান ইসলামী জলসা অনুষ্ঠিত

কলারোয়ায় আজিমুচ্ছান ইসলামী জলসা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার রাতে পৌর সদরের ঝিকরা গ্রামে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন মহেশপুরী বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের খাদেম আলাউদ্দিন জিহাদী। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল-নকসাবন্দী খানকেশরীর আ. মালেক, জাকের মঞ্জিলের কলারোয়া উপজেলা সভাপতি এসএম সহিদ, সদস্য আবুল কাশেম, সোহরাব হোসেন, শামছুজ্জামান মন্টু, আ. রশিদ মিয়া, লুৎফর রহমান, শামসুর রহমান লাল্টু, আ. রহিম, শেখ মুনসুর আহম্মেদ, শওকাত আলী, ডা. জহুরুল হক, কেসমত আলী, রজব আলী প্রমুখ।

কলারোয়ার রামভদ্রপুর প্রাইমারী স্কুলের পূর্ণাঙ্গ ম্যানেজিং কমিটি গঠণের দাবি

কলারোয়ার রামভদ্রপুরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার নাম করে গণদরখাস্তে স্বাক্ষর করিয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি বাতিলের নামে বিভিন্ন দপ্তরে দরখাস্ত জমা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই দরখাস্তকে মিথ্যা ও বানোয়াট উল্লেখ করে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর শতাধিক অভিভাবক স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র জমা দেয়া হয়েছে। অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের রামভদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি বিধি মোতাবেক ১১সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু গ্রামের কতিপয় ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় তাদের চক্রান্তে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঠিক কথা না জানিয়ে এলাকায় বিদ্যুৎ দেয়ার নাম করে ফুসলিয়ে তাদের অজান্তে প্রতারণাপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। ওই স্বাক্ষর সম্বলিত কাগজ ২০নং রামভদ্রপুর প্রাইমারী স্কুলের কমিটি বাতিলের দরখাস্তের পিছনে সংযুক্ত করে বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেয়। সাধারণ অভিভাবকরা বিষয়টি জানতে পেরে ওই দরখাস্তকে মিথ্যা, বানোয়াট উল্লেখ করে অবিলম্বে স্কুল সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য পদ বন্টণপূর্বক পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠণের দাবি জানিয়েছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর দেয়া শতাধিক অভিভাবক স্বাক্ষরিত ওই আবেদনপত্রের অনুলিপি স্থানীয় সাংসদ, ইউএনও, ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয়, শিক্ষা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে অবাধে অবৈধ ভাবে ঢুকছে ভারতীয় পণ্য সামগ্রী ॥ প্রতিকারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

সাতক্ষীরার বাঁশদহা সীমান্ত দিয়ে অবাধে অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে আসছে ভারতীয় নানা পণ্য সামগ্রী। দেখলে মনে হয় সীমান্ত এলাকাটি যেন অলিখিত স্থলবন্দর। আর এ অবৈধ বানিজ্য বন্ধ করনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সর্বস্থরের মানুষ। প্রতিদিন ভোর হতে শুরু করে গভীর তার পর্যন্ত চলে চোরাচালানি এ রমরমা কর্মযজ্ঞ। অবৈধপথে অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা এসকল পণ্য সামগ্রির মধ্যে রয়েছে গাজা, মদ, ফেনসিডিল, যৌনউত্তেজক ট্যাবলেট, স্টীল সামগ্রী, জিরা, থ্রি-পিচ সহ নানা মালামাল। সাতক্ষীরার তলুইগাছা, কলারোয়ার চারাবাড়ী, গাড়াখালী, কেড়াগাছি সীমান্তের নানা পয়েন্ট দিয়ে গড়ীয়াডাঙ্গ হয়ে রেউই বাজার ও মাদবকাটী মধ্যদিয়ে সাতক্ষীরা সহ দেশের নানা প্রান্তে পৌছায়- এ মাদক সহ অন্যান্য মালামালের চালান। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, প্রথমে ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে এসব সামগ্রী বাংলাদেশে নিয়ে এসে কেঁড়াগাছি, চারাবাড়ী, গড়ীয়াডাঙ্গা, কাওনডাঙ্গা, হাওয়ালখালী ও রেউই গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় রেখে পরে সুযোগ বুঝে সুবিধা মত সময়ে দেশের অন্যত্র সরবরাহ করা হয়। এ পাচার প্রক্রিয়া সকাল ৬টা থেকে ৭টা, দুপুর এবং সন্ধায় সম্পন্ন করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জান যায়। এগুলো বহনের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে মোটরসাইকেল, নছিমন ও করিমন। থ্রি-পিচ, জিরা, স্টীল সামগ্র বহন করা হয়ে থাকে মটর সাইকেলে করে। স্থানীয় ঘাট মালিক ও গুটি কয়েক অসাধু বিজিবি সদস্যকে ম্যানেজ করে হরহামেশায় চলছে এ অবৈধ বানিজ্য। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, অবৈধ পণ্যের চালান যাতে ধরা না পড়ে সেলক্ষ্যে বিজিবির উপস্থিতি রোধ করতে অনেক ব্যক্তিকে বসিয়ে রাখা হয় বিজিবি হেড কোয়াটারের সামনে, কদমতলায়, মাদবকাটী বাজার, রেউই বাজার, বাঁশদহা বাজার, তলুইগাছা বিওপি ক্যাম্প, কাকডাঙ্গাা ক্যাম্প, ঝাউডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্প, তুজুলপুর মোড় সহ নানা স্থানে। এদের প্রত্যেকের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সতর্কতা জানিয়ে দেয়া হয়। বিজিবি দেখা মাত্রই এরা একে অপরকে জানিয়ে দেয়া। মদকের এমন সহজ লভ্যতায় স্থানীয় যুবকেরা ঝুকে পড়ছে মাদকের দিকে। ফলে শুরু হচ্ছে সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়। প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে চুরি সহ নানা অপরাধের। আর এ অবৈধ বানিজ্য বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল সহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।






মন্তব্য চালু নেই