মেইন ম্যেনু

কম খরচে বিশ্বের সেরা হোটেলে থাকতে পারেন আপনিও!

রাজার হালে আরণ্যক পরিবেশে বন্যবিলাসে রাত কাটাতে হলে দু’জনের জন্য গুণতে হবে প্রতি রাতে মাত্র ৪৮ হাজার টাকা। কি ভাবছেন ৪৮ হাজার টাকা ‘মাত্র’ বললাম কেন? একবার ভাবুন, পাঁচতারা বিলাসবহুল হোটেল তাও আবার বিশ্বের শ্রেষ্ঠ হোটেলের তকমা পাওয়ার পরও এতো কম খরচে থাকার সুযোগকে ‘মাত্র’ বলতেই হবে!

এ বছর বিশ্বের ১০৯টি দেশের ছোট বিলাসবহুল হোটেলের বিভাগে শ্রেষ্ঠ হোটেলের শিরোপা পেয়েছে ভারতের রাজস্থানের হোটেল বন্যবিলাস। রাজস্থানের রনথম্বোরের জঙ্গলে ঘেরা রোমাঞ্চকর মনোরম পরিবেশে হোটেল ‘বন্যবিলাস’ এমনিতেই পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

ট্রিপ অ্যাডভাইসারের কান্ট্রি ম্যানেজার নিখিল গাঞ্জু জানান, ‘সারা বিশ্বের সেরা হোটেলগুলিকে

সম্মানিত করতে সবসময়ই ভালো লাগে এবং পর্যটকদের সারাজীবন মনে রাখার মত স্মৃতি তৈরি করতে এটি সাহায্য করে।’

রনথম্বোরের ‘টাইগার রিজার্ভ’ থেকে মিনিটখানেক দূরেই রয়েছে এই ‘বন্যবিলাস’। হোটেলের গাড়িতে চড়ে রয়্যাল বেঙ্গল-এর দেখা মিলতে পারে অনায়াসেই। দেখতে পাবেন পাহাড় আর বনের মনোরম দৃশ্য।

হোটেলের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে পাহাড়, জঙ্গল ঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় মনোরম সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখার সুযোগও পাবেন পর্যটকেরা। এই হোটেলে পাঁচতারার সব সুযোগ-সুবিধার সঙ্গেই মিলবে জঙ্গলে ঘেরা তাঁবুতে (বিশেষ রিসর্ট) থাকার সুযোগ।

বন্যবিলাসের রেস্তোরাঁয় মেনু প্রতি দিনই পাল্টানো হয়। মেনুতে খাঁটি রাজস্থানী ঐতিহ্যের খাবারের সঙ্গে প্যান-ইন্ডিয়ান এবং কন্টিনেন্টাল নানা পদের আয়োজন থাকে। অসংখ্য বিদেশি পর্যটক এখানে বন্যবিলাসের আয়ুর্বেদিক স্পা-র টানে ছুটে আসেন প্রতি বছর।

কিভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে রাজস্থানের কোন বিমান সেবা নেই। এক্ষেত্রে আপনাকে আগে দিল্লী ও কলকাতায় যেতে হবে। সেখান থেকে বিমান যোগে জয়পুর। জয়পুর থেকে ট্রেনে বা গাড়িতে রনথম্বোর বন্যবিলাস হোটেলে। এছাড়াও ট্রেন যোগে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে আগে কলকাতায় যেতে হবে। কলকাতা থেকে রেলে সুপারফাস্ট বা পশ্চিম এক্সপ্রেসে করে প্রথমে সাই মধ্যপুর স্টেশনে নেমে, সেখান থেকে গাড়িতে বন্যবিলাস হোটেলে। এক্ষেত্রে কলকাতা থেকে বন্যবিলাসে পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে ২৪-২৫ ঘন্টা।






মন্তব্য চালু নেই