মেইন ম্যেনু

এসএম সুলতানের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ শুক্রবার ১০ অক্টোবর বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে যশোরের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান তিনি।
এ উপলক্ষে নড়াইল জেলা প্রশাসন এবং এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শিল্পীর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
বাঙালি জাতিসত্তার গভীরতম অন্তরভূমিতে যে অমিতশক্তি সুপ্ত ছিল সহস্র বছর ধরে, তারই নান্দনিক শৈল্পিক প্রকাশের অন্যতম সূর্যসারথি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান।
১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট তৎকালীন মহকুমা শহর নড়াইলের চিত্রা নদীর পাশে সবুজ শ্যামল ছায়াঘেরা, পাখির কলকাকলীতে ভরা মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শিল্পী এস এম সুলতান।
তার বাবা মো. মেছের আলি, মা মোছা: মাজু বিবি। চেহারার সঙ্গে মিলিয়ে বাবা-মা আদর করে নাম রেখেছিলেন লাল মিয়া।
এস এম সুলতান তার ৭০ বছরের শিল্পী জীবনে তুলির আঁচড়ে দেশ, মাটি, মাটির গন্ধ আর ঘামেভেজা মেহনতী মানুষের সঙ্গে নিজেকে একাকার করে সৃষ্টি করেছেন ‘পাট কাটা’, ‘ধানকাটা’, ‘ধানঝাড়া’, ‘জলকে চলা’, ‘চরদখল’, ‘গ্রামের খাল’, ‘মৎস শিকার’, ‘গ্রামের দুপুর’, ‘নদী পারাপার’, ‘ধানমাড়াই’, ‘জমি কর্ষণে যাত্রা’, ‘মাছধরা’, ‘নদীর ঘাটে’, ‘ধানভানা’, ‘গুন টানা’, ‘ফসল কাটার ক্ষণে’, ‘শরতের গ্রামীণ জীবন’, ‘শাপলা তোলা’র মত বিখ্যাত সব ছবি।
১৯৫০ সালে ইউরোপ সফরের সময় যৌথ প্রদর্শনীতে তার ছবি সমকালীন বিশ্ববিখ্যাত চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসো, ডুফি, সালভেদর দালি, পলক্লী, কনেট, মাতিসের ছবির সঙ্গে প্রদর্শিত হয়।
সুলতানই একমাত্র এশিয়ান শিল্পী, যার ছবি এসব শিল্পীর ছবির সঙ্গে একত্রে প্রদর্শিত হয়েছে। কালোত্তীর্ণ এই চিত্রশিল্পীকে ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্স আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা এবং ১৯৯৩ সালে রাষ্টীয়ভাবে স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়।






মন্তব্য চালু নেই