মেইন ম্যেনু

একরাম হত্যার নেপথ্যে আ.লীগ নেতা জিহাদ

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি একরামুল হক একরাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মূল হোতা জিহাদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

শনিবার সকালে ফেনী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে নির্দিষ্ট করে আটকের স্থানের নাম জানানো হয়নি।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মোরশেদ জিহাদ চৌধুরীর গ্রেপ্তারের বিষয়টি বংলামেইলকে নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকায় গ্রেপ্তার হওয়া ৮ আসামির জবানবন্দিতে জানা গেছে, হত্যার পরিকল্পনা হয় ফেনীর সালাম কমিউনিটি সেন্টারে। সেখানে জিহাদ চৌধুরী ও কাউন্সিলর আব্দুল্লাহিল মাহমুদ শিবলু হত্যার ছক আঁকেন এবং কিলারদের অস্ত্রের জোগান দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সালাম কমিউনিটি সেন্টারের পাশে দীর্ঘদিন থেকেই জিহাদ চৌধুরীর একটি টর্চার সেল ছিল। জেলা পরিষদের জায়গায় গড়ে ওঠা ওই টর্চার সেল ছিল মূলত মাদকের স্বর্গরাজ্য। তার টার্গেট শুধু স্কুল-কলেজের ছাত্র।

ফুলগাজীর বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফুলগাজী বিএনপির একটি অংশ ও আওয়ামী লীগের ক্রাইম জোন পরিচালনা করেন এই জিহাদ চৌধুরী।

কে এই জিহাদ চৌধুরী
ফুলগাজী উপজেলার আনন্দপুর ইউনিয়নের হাসানপুর গ্রামের বাসিন্দা জিহাদ চৌধুরী। পেশায় তিনি সন্ত্রাসী ও মাদকব্যবসায়ী। একরামকে যে স্থানটিতে হত্যা করা হয় ২০০০ সালে ওই জায়গায় যুবলীগ নেতা বশির আহমেদকে (বইশ্যা) হত্যা করে প্রথম আলোচনায় আসেন জিহাদ চৌধুরী। তিনি ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।

চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনের আগে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জিহাদ চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করেন একরাম। এর একদিন পর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তার গুরু নিজাম উদ্দিন হাজারী তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেন। এ ঘটনার পর জিহাদ চৌধুরী প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘একরাম আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছেন। আমি তাকে জীবন থেকে বহিষ্কার করে দেব।’

গেল মার্চ মাসের শুরুতেও একরামকে ৩/৪ বার হত্যার চেষ্টা করেছিলেন জাহিদ। এছাড়া নির্বাচনের সময় একরাম সমর্থকদের নানান হুমকি-ধামকি দেয়ার ঢালাও অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।






মন্তব্য চালু নেই