মেইন ম্যেনু

একমাসেই আইসিডিডিআরবিতে ২০হাজার ডাইরিয়া রোগী

এপ্রিলেই কলেরা ও ডায়রিয়ার আক্রান্ত প্রায় ২০ হাজার রোগীকে সেবা দিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআরবি)।
এই চিকিৎসা নেয়ার পরিমাণ বিগত বছরগুলোর চেয়ে রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন আইসিডিডিআরবি সিনিয়র কমিউনিকেশন ম্যানেজার নাজমিন নাহার।
তিনি জানান, ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে আইসিডিডিআরবিতে ১৯ হাজার ৫২০ জন ডাইরিয়ায় আক্রান্ত রোগীকে সেবা দিয়েছে যা বিগত বছরগুলোর চেয়ে অনেক বেশি। এপ্রিল মাসের প্রথম থেকেই রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় মূল ভবনের বাইরে তিনটি বাড়তি অস্থায়ী তাবু তৈরি করে রোগীদেরকে সেবা দেয়া হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত দুই মাসের তুলনায় মার্চ মাসে রোগীর চাপ ছিল প্রায় দ্বিগুণ। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৫৩১ জন। ফেব্রুয়ারি মাসে রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৮১৩ জন। মার্চ মাসে রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৩৬৮ জন, এবং এপ্রিল মাসে রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২০ হাজারের কাছকাছি।
আইসিডিডিআরবি ক্লিনিক্যাল সার্ভিসের ইনচার্জ (প্রধান চিকিৎসক) ডা. প্রদীপ বর্ধণ বলেন, ‘এ বছর আমাদের এখানে রোগীর চাপ বেশি থাকলেও আমরা ঘাবড়ে যাইনি বরং কীভাবে মোকাবেলা করা যায় সেই প্রস্তুতি আগে থেকেই নিয়েছিলাম।’
রোগী বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে ডা. প্রদীপ বর্ধণ বলেন, ‘রেকর্ড পরিমাণ গরমের কারণে পানিশুন্যতা দেখা দিয়েছিল। সেই সঙ্গে বিশুদ্ধ পানির অভাব এবং অনিরাপদ পানি পানের কারণে ডাইরিয়া বেড়ে গিয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে অন্যান্য সময়ের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি রোগী হলেও আমরা কোনো রোগীকে ফিরিয়ে দেইনি বাইরে তাবু টানিয়ে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।’
ডা. প্রদীপ বর্ধণ জানান, আমাদের এখানে রোগী দেখার জন্য শতাধিক চিকিৎসক রয়েছেন। চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি রোগের সঠিক ডায়গোনেসিস করার জন্য নিজস্ব ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক রয়েছে।
তিনি আরো জানান, আইসিডিআরবিতে কোন প্রকার বর্হিবিভাগ সেবা ও অপারেশনের ব্যবস্থা নেই। আর রোগীর সংখ্যার উপর সিট/বিছানার সংখ্যা নির্ভর করে।






মন্তব্য চালু নেই