মেইন ম্যেনু

ইমানের ওজন কমেনি, চিকিত্সকরা ‘মিথ্যা’ বলছেন!

মুম্বাইয়ে এই মুহূর্তে সইফি হাসপাতালে ওজন কমানোর চেষ্টা চলছে মিশরের বাসিন্দা বিশ্বের সবচেয়ে ভারী নারী ইমান আহমেদের। সম্প্রতি ইমানের চিকিত্সকরা একটি ছবি প্রকাশ করেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ইমান টিভি দেখছেন এবং প্রচুর ওজন কমিয়েও ফেলেছেন।

চিকিত্সকদেরও দাবি, ইমানের অস্ত্রোপচারের পর তার প্রায় ২৪০ কেজি ওজন কমেছে। কিন্তু এরপরই পাল্টা একটি ভিডিও প্রকাশ করে চিকিত্সকদের বিরুদ্ধে মিথ্যে কথা বলার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন ইমানের বোন শাইমা সালিম। তিনি চিকিত্সক মুফাজ্জাল লাকডাওয়ালা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মিথ্যেবাদী বলেছেন। এমনকি ইমানের অবস্থা এখন এমন, যে তার মস্তিষ্ক কাজ করাও বন্ধ করে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন শাইমা।

এই অভিযোগ প্রসঙ্গে চিকিত্সক লাকডাওয়ালা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এটা কার্যত ইমনের পরিবারের লোকের ইচ্ছাকৃত ভাবে ইমানকে হাসপাতাল রেখে দেওয়ার চেষ্টা। কারণ, মিশরে এধরনের রোগের বিনামূল্যে চিকিত্সা পরিষেবা দেওয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা এখনও পর্যন্ত ইমানের ওপর প্রায় দুকোটি রুপি খরচ করেছেন। এছাড়া সারা দুনিয়া থেকে ডোনেশন বাবদ আরও বেশ কিছু অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন তারা।

প্রসঙ্গত, সোমবারই সুস্থ, বেশ অনেকটা মেদহীন ইমানের ছবি প্রকাশের পর তার বোন শাইমার এই মন্তব্যে প্রত্যেকেই স্তম্ভিত। শাইমার দাবি, ইমান গত দশ দিন আগে থ্রম্বোসিসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এছাড়া ইমনের বোনের অভিযোগ তার বোনকে ফিডিং টিউব দিয়ে খাওয়ানোয়, তিনি ঠিক করে নিঃশ্বাস নিতে, কথা বলতে পারছেন না।

শাইমার এই সমস্ত অভিযোগ শুনে কার্যত খারাপই লেগেছে ইমানের চিকিত্সকের। তার দাবি মানবিকতার খাতিরে তারা যেভাবে ইমানকে এখানে এনে নিজেদের চেষ্টায় চিকিত্সা পরিষেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করছেন, সেটাকে এভাবে ভুল ব্যাখা করায়, তিনি আশাহত।
আবার শাইমার পাল্টা অভিযোগ, উল্লেখিত চিকিত্সক এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সস্তায় প্রচারের জন্যে এই সমস্ত কিছু করেছেন। এমনকি ইমান যে ২৪০ কেজি ওজন ঝড়িয়ে ফেলেছেন সেকথাও মিথ্যে বলে দাবি করেছেন শাইমা।

সূত্র : এবিপি আনন্দ






মন্তব্য চালু নেই