মেইন ম্যেনু

ইংল্যান্ডের ক্লাবে খেলার আড়ালে চলে যৌন নির্যাতন

ফুটবলের জন্য বিশ্বব্যাপী খ্যাতি কুড়িয়েছে ইংল্যান্ড। কিন্তু এবার খ্যাতির পাশাপাশি কালো দাগও লেগেছে ইংল্যান্ডের গায়ে। সোমবার দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, আর্সেনাল, চেলসি, টটেনহ্যাম হটস্পার, ক্রিস্টাল প্যালেস এবং ওয়েস্টহ্যামের মতো প্রথম সারির ক্লাবগুলিতে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তরুণ খেলোয়াড়েরা। যাদের বেশিরভাগেরই বয়স ৭ থেকে ২০ এর মধ্যে। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

কোচ ও ক্লাবের সাপোর্ট স্টাফদের লালসার শিকার হচ্ছে এসব উঠতি খেলোয়াড়রা। এই পাঁচটি বিখ্যাত ক্লাব ছাড়াও দ্বিতীয় ডিভিশন চ্যাম্পিয়নশিপের তিনটি ক্লাবের বিরুদ্ধেও শিশু নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। পুরো গোটা ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

গত মাসে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়। সোমবার মেট্রোপলিটন পুলিশ সার্ভিস জানায়, এখনও পর্যন্ত ৭৭টি ক্লাব এবং দলের বিরুদ্ধে ২৫৫ জন শিশু নিগ্রহের অভিযোগ তাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। তারই মধ্যে উঠে এসেছে প্রিমিয়ার লিগের পাঁচটি ক্লাব। এছাড়াও ৬৬টি অপেশাদার ক্লাবের নামও এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন এমন ৫২৬ জনের নাম সামনে এসেছিল। ন্যাশনাল পুলিশ চিফস কাউন্সিলের (এনপিসিসি) জানায়, ৯৮ শতাংশ শিশুদেরই এই অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। এই সংখ্যা চমকে দিয়েছে শিশু সংরক্ষণ সংস্থা ন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অফ ক্রুয়েলটি টু চিলড্রেনকেও।

গত বছর নভেম্বরে প্রাক্তন ফুটবলার অ্যান্ডি উডওয়ার্ড জানিয়েছিলেন, ছোটবেলায় ক্লাবের কোচের হাতে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন তিনি। তারপরই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রসাশন।






মন্তব্য চালু নেই